

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার এনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
সোমবার (৮ জুন) জারি করা এক পরিপত্রে দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত তথ্য জানায়।
নতুন উদ্যোগের আওতায় ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিয়োগকর্তা ও কর্মী—উভয় পক্ষই দ্রুত ও স্বল্প খরচে সেবা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংস্কার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত একটি অনলাইন জনপরামর্শ কর্মসূচি চালু রাখা হবে। এতে নাগরিক, নিয়োগকর্তা ও সেবাগ্রহীতারা বিদ্যমান ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা সম্পর্কে মতামত ও প্রস্তাব দিতে পারবেন। বিশেষ করে পারমিট অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং অপ্রয়োজনীয় শর্ত কমানোর বিষয়ে মতামত নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় বলছে, এই উদ্যোগ দেশটির ‘জিরো গভর্নমেন্ট ব্যুরোক্রেসি’ কর্মসূচির অংশ। সংস্কারের আওতায় সহায়ক নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা অনেক ক্ষেত্রে বাতিল করা হয়েছে। কিছু পারমিটের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে।
ওয়ার্ক পরিমিট ব্যবস্থায় এমন সংস্কারের ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা কমবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিশ্লেষকরা।
বর্তমানে আমিরাতে ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিট চালু রয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ, নিয়োগকর্তা পরিবর্তন, পরিবারের স্পন্সরশিপে থাকা ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান, সাময়িক ও প্রকল্পভিত্তিক কাজ, পার্ট-টাইম চাকরি, গোল্ডেন ভিসাধারীদের পারমিট, ফ্রিল্যান্স পারমিট, গৃহকর্মীদের জন্য পৃথক পারমিট, শিক্ষার্থী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ধরনের পারমিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
