

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিল শহরে মার্কিন সেনাদের আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত একটি হোটেল লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইরান সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ শহরে সংঘটিত হামলার দায় স্বীকার করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’।
গোষ্ঠীটির দাবি, এরবিলের নির্দিষ্ট একটি হোটেলে তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিলেন। হামলার লক্ষ্য ছিল তথাকথিত ‘দখলদার বাহিনীর অবস্থান’-এমন বক্তব্যও দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।
এদিকে ইরাকি সংবাদমাধ্যম‘নায়া’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে এরবিলের একটি ভবনে আগুন জ্বলতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই স্থাপনাটি সত্যিই মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত আবাসন ছিল কিনা, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন কিংবা মার্কিন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
একই দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবিও উঠে এসেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সামরিক বাহিনীর অংশ আইআরজিসি দাবি করেছে যে, তাদের নৌ ইউনিট দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে একটি ‘জটিল অভিযান’ পরিচালনা করেছে।
এ ছাড়া কুয়েতে অবস্থিত আরিফজান ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি।
তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে স্বাধীন ও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এসব হামলার দাবি নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি
মন্তব্য করুন
