

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উত্তর নেপালের চারিদিকে ধ্বংসস্তূপের ছবি। নেপালের রসুয়া জেলার আকস্মিক বন্যার ছবি আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভারতের বিহারে। হাই অ্যালার্টে গোটা বিহার। চলছে মাইকিং, মানুষজনকে সতর্ক করা হচ্ছে।
ভোটেকোসি নদী হয়ে, ত্রিসুলী ও গণ্ডক নদী ধরে বিহারে প্রবেশ করে তিব্বতের পানি। মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী হাই লেভেল ইন গঠন করে সব সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী নদীর চারিদিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নদীর বাঁধ এবং বাঁধের চারপাশ বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দিনভর নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। বিশেষ করে নাইট পেট্রোলিং বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গন্ডক নদীর পাশে থাকা পশ্চিম চম্পারন, পূর্ব চম্পারণ মোজাফফরনগর, বৈশালী, গোপালগঞ্জ, সারণ জেলা প্রভাবিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। সব রাজ্য সরকারি কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবাবলী বাহিনী ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নেপাল থেকে গণ্ডক নদী হয়ে বিহারে প্রবেশ করবে পানি। প্রশাসনের আশঙ্কা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একসঙ্গে সাড়ে তিন লাখ কিউসেক পানি পাহাড়ি ঢল বেয়ে নেমে আসবে।
প্রশাসনের তরফ থেকে তাই আগামী সতর্কতা হিসেবে নদীর পাড়ে থাকা বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে। বাল্মিকী নগরে গণ্ডক নদীর ব্যারেজের সুরক্ষা অনেক অংশেই বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বিহার এবং উত্তর প্রদেশের ইঞ্জিনিয়াররা ক্রমাগত ব্যারেজের সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ করছে। একইসঙ্গে আগাম বিপর্যয়ের আশঙ্কা থেকে বাল্মিকী নগরের বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভ এলাকায় পশুদের সরিয়ে নেয়ার কাজও শুরু হয়েছে।


