শনিবার
২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীরা ৬ মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব পাবেন: অমিত শাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত
expand
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে যাওয়া এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় আবেদন করা শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে এক সভায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীরা আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব পাবেন। এটি আমার প্রতিশ্রুতি।’

অমিত শাহ বলেন, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যোগ্য সব শরণার্থীকে মর্যাদার সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের আট জেলার জেলা প্রশাসকদের সিএএর আওতায় যোগ্য আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে বুধবার সীমান্তবর্তী আট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জেলা প্রশাসকদের সিএএর আওতায় জমা থাকা আবেদন প্রক্রিয়া করার ক্ষমতা দেওয়া হয়। এত দিন এসব আবেদন কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির মাধ্যমে প্রক্রিয়া করা হতো। এসব কমিটিতে আদমশুমারি, গোয়েন্দা ব্যুরো ও ডাক বিভাগের কর্মকর্তারাও ছিলেন।

সিএএ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতারও সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, আইনটি চালুর সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে ‘উপহাস’ করতেন এবং বলতেন, তার সরকার রাজ্যে আইনটি বাস্তবায়ন করতে দেবে না।

অমিত শাহ বলেন, ‘মমতা দিদি, আপনি সিএএ বাস্তবায়নে রাজি হননি। কিন্তু আপনাকেও যেতে হয়েছে, আপনার সরকারকেও যেতে হয়েছে। এখন এখানে বিজেপির সরকার রয়েছে।’

এ সময় পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব ‘অনুপ্রবেশকারীকে’ শনাক্ত করে বের করে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank