

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট রেস্ট্রিক্ট করার ঘটনায় ‘ভুল’ স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান মেটা। বুধবার (০৫ আগস্ট) ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে মেটার পক্ষ থেকে ক্ষমা চান প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক জননীতি বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা জোয়েল কাপলান।
জোয়েল কাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্ট রেস্ট্রিক্ট করার ভুলের জন্য মেটার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চেয়েছি।’
এ ঘটনায় জোয়েল কাপলানসহ মেটার শীর্ষ কর্মকর্তারা ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এস কৃষ্ণান ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা ওই বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে ভারত মেটার সবচেয়ে বড় বাজার। দেশটিতে কয়েক কোটি মানুষ প্রতিষ্ঠানটির মালিকানাধীন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটিতে তিনি সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলেন। অনলাইনভিত্তিক ককক্রোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের সময় ভিডিওটি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে কিছু সময়ের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তা আবার ফিরিয়ে আনে মেটা।
মেটা ওই ঘটনার জন্য প্রযুক্তিগত ত্রুটিকে দায়ী করে দুঃখ প্রকাশ করেছিল। তবে ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মেটার ব্যাখ্যাকে ‘অপর্যাপ্ত’ বলে উল্লেখ করে। পরে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভুলবশত পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং তা পুনরায় প্ল্যাটফর্মে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভারতের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এ ঘটনায় মেটাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও মুছে ফেলা কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।’
ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সরকারি নীতি পর্যালোচনা করতে পারে এবং এ বিষয়ে জবাবদিহির জন্য সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের তলব করতে পারে। তবে তারা নিজেরা কোনো জরিমানা আরোপ, আইনি সুরক্ষা বাতিল বা সরাসরি মামলা করার নির্দেশ দিতে পারে না।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে সরকার বা আদালতের মাধ্যমেই তা নিতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি