

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পদত্যাগপত্রটি প্রকাশ করে নিজের এ সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি কাজে লাগাতে না পারে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘যন্তরমন্তর ও দেশের যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন দেশবিরোধী শক্তি কোনোভাবেই কাজে লাগাতে না পারে। দেশের ঐক্য অটুট থাকতে হবে। ভারতের একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎও যেন আইনি জটিলতায় আটকে না যায়। আমাদের সন্তানরা যেন পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গঠনে মনোযোগ দিতে পারে, সে কথা বিবেচনা করেই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’
এর আগে এক্সে দেওয়া আরেকটি পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছিলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমি এ ঘটনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছি এবং কখনো পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমার সংকল্প ছিল, পরীক্ষা মাফিয়ার কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন নষ্ট না হয় এবং কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি যেন অবিচার না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের গণতন্ত্রের শক্তির ওপর আমার অটল বিশ্বাস রয়েছে। তরুণদের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতি আমি সবসময় শ্রদ্ধাশীল। তারা শুধু ভারতের ভবিষ্যৎ নয়, নতুন ও উন্নত ভারতের মশালবাহক, নির্মাতা ও স্থপতি। গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন নয়। ভারতের যুবশক্তিই এ দেশের প্রকৃত শক্তি।’
উল্লেখ্য, নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তরমন্তরসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীরা পরীক্ষায় অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
সূত্র : এনডিটিভি