

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থগিত থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ভারতীয় রেল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের সরকার থেকে নির্দেশনা পেলেই ট্রেন চলাচল আবার শুরু করা হবে।
বুধবার (০১ জুলাই) ভারতীয় পূর্ব রেলের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক রাজিব সাক্সেনা বাংলাদেশের এক গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘কথাবার্তা চলছে। এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। আমাদের কাছে যখনই নির্দেশ আসবে, তখনই ট্রেন চালু করে দেব।’
সম্প্রতি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারত পর্যটক ভিসা (ট্যুরিস্ট ভিসা) চালু করায় দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসসহ আন্তঃদেশীয় ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়। সে সময় মিতালী এক্সপ্রেস বাংলাদেশে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় অচল অবস্থায় থাকায় ট্রেনটির কোচগুলো যাত্রী পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেগুলো ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস–এর চলাচলও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এলে ট্রেন চলাচল শুরু করতে ভারতীয় রেল কতটা প্রস্তুত—এমন প্রশ্নের জবাবে রাজিব সাক্সেনা বলেন, তাদের কাছে পর্যাপ্ত কোচ রয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত নতুন রেক প্রস্তুত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে অনেক কোচের মজুত আছে। বিশেষ ট্রেন পরিচালনার মতো করেই দ্রুত ট্রেন প্রস্তুত করা যাবে। নতুন ট্রেন তৈরি করা কোনো সমস্যা নয়। তবে এখনো কোনো নির্দেশ পাইনি। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।’
ভারতীয় রেলের এ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আন্তঃদেশীয় ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে কারিগরি বা পরিচালনাগত কোনো বাধা নেই। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে দুই দেশের সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

