

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের কেউ ভারতের নাগরিকত্ব পেতে চাইলে তাকে, নিজ দেশের পাসপোর্টের অবস্থা জানাতে হবে এবং এসংক্রান্ত একটি ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) জমা দিতে হবে। ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব বিধি সংশোধন করে এমনটাই জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
ভারতের কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরই মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভারতের নাগরিক হতে চাওয়া কোনো বাংলাদেশি, পাকিস্তানি বা আফগানের কাছে নিজের দেশের কোনো বৈধ কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট থাকা চলবে না।
কোনো আবেদনকারীর কাছে বৈধ পাসপোর্ট থাকলে তাকে সেই পাসপোর্টের নম্বর, সেটি কবে জারি হয়েছিল, তার মেয়াদ কত দিন—এসব তথ্য দিতে হবে। সঙ্গে লিখিত আকারে এ-ও জানাতে হবে যে নাগরিকত্ব পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ওই আবেদনকারী নিজের কাছে থাকা বৈধ কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টটি ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপার বা সুপারের কাছে জমা দিয়ে দেবেন।
২০০৯ সালের ওই বিধি সংশোধন করে তাতে একটি অনুচ্ছেদ যুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বলা হয়েছে, এই অনুচ্ছেদটি বিধিমালার ১সি তফসিলের পরে যুক্ত হবে। উল্লেখ্য, ওই ১সি তফসিলটি ভারতের নাগরিকত্ব পেতে চাওয়া বাংলাদেশি, পাকিস্তানি এবং আফগান হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টানদের জন্য প্রযোজ্য।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) জারি করেছিল কেন্দ্র। ওই সংশোধিত আইনটি ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা নথিপত্রহীন অমুসলিম অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ মসৃণ করে। এরই মধ্যে এবার ২০০৯ সালের নাগরিকত্ব বিধি সংশোধনের কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
