বৃহস্পতিবার
১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে ৩৩ জনের মৃত্যু

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০৪:২১ পিএম আপডেট : ১৪ মে ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রবল বৃষ্টি, ধুলিঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রাজ্যের ৫টি জেলায় গাছ উপড়ে পড়া, ঘরবাড়ি ধসে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে দ্রুত ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, উত্তর প্রদেশের পাঁচটি জেলায় বুধবার (১৩ মে) প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন।

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও ধুলিঝড়ও ছিল, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভাদোহি জেলায় ১৬ জন, ফতেহপুরে ৯ জন, বদাউন জেলায় ৫ জন, চান্দাউলিতে ২ জন এবং সোনভদ্র জেলায় ১ জন নিহত হয়েছেন।

ভাদোহির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুনওয়ার বিরেন্দ্র কুমার মৌর্য বলেন, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়া এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর আসছে। তিনি জানান, ঝড়ের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজে সমস্যা হচ্ছে।

মৌর্য বলেন, জেলার তিনটি তহসিলে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট, তহসিলদার, অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশ ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

বদাউন জেলায় প্রবল ধুলিঝড় ও বৃষ্টির ঘটনায় পৃথক ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই কিশোরীও রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। পুলিশ সূত্র জানায়, বিসৌলি থানার সিদ্ধপুর কৈথোলি গ্রামে ঝড়ের সময় একটি কুঁড়েঘরের মাটির দেয়াল ধসে ১০ বছরের মৌসুমি ও ৯ বছরের রাজনির মৃত্যু হয়।

মূলত প্রবল বাতাস শুরু হলে কল্লো ও নেহা নামে দুই নারীর সঙ্গে ওই দুই কিশোরী কুঁড়েঘরটিতে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে দেয়াল ধসে তারা সবাই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। ঘটনাস্থলেই দুই কিশোরীর মৃত্যু হয় এবং দুই নারী গুরুতর আহত হন।

আরেক ঘটনায় ফৈজগঞ্জ বেহতা থানার তারক পারোলি গ্রামে ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে কয়েকজন একটি টিউবওয়েল কক্ষে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এ সময় একটি গাছ ঘরের ওপর পড়ে ৪০ বছর বয়সী লক্ষ্মী নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। ঘরটির ছাদ ধসে আরও তিনজন আহত হন। তাদের মধ্যে গীতা নামের এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও বজ্রপাতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ত্রাণ কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন