

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা যত এগোচ্ছে, ততই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের আভাস মিলছে। শুরু থেকেই একাধিক আসনে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এই প্রেক্ষাপটে দলের রাজ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, হিন্দু ভোটের সমর্থন একত্রিত হওয়া এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য সমর্থনই তাদের এগিয়ে থাকার মূল কারণ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, হিন্দু ভোটের পাশাপাশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের বড় অংশ তাদের সমর্থন দিয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণ বর্তমান শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে বড় সাফল্যের লক্ষ্য ছিল বিজেপির। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সময় থেকেই এই আকাঙ্ক্ষা ছিল, তবে এতদিন তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গকে দেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়েই এই পরিবর্তনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব জানিয়ে তিনি জনগণকেও ধন্যবাদ দেন।
এদিকে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসন। বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী বিজেপির সরকার গঠনের পথ অনেকটাই সুগম। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামও আলোচনায় রয়েছে।
নিজেকে সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি সরাসরি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, ‘না, আমি এই সংবেদনশীল প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি না। বিজেপি যৌথ নেতৃত্বে বিশ্বাস করে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমরা এই নির্বাচন লড়েছি এবং ফল আসছে।’
নারী ভোটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট নারী-পুরুষভিত্তিকভাবে তেমন বিভক্ত হয়নি, তবে হিন্দু নারীদের একটি বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন দিয়েছে বলে তার দাবি।
তিনি আরও জানান, এবার আদিবাসী ভোটের বড় অংশও বিজেপির পক্ষে গেছে। জনসংখ্যাগত পরিবর্তন হয়েছে এমন এলাকাগুলোতেও ভোটের ধারা একই দিকে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ভোটগণনার সময়কার হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা ১৮৯ আসনে এগিয়ে আছি। এটা বড় ব্যবধান। বাকি বিষয় আমরা সামলে নেব।’
উল্লেখ্য, দুই দফার ভোটগ্রহণ শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট এবং পরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ভোট গণনা করা হয়।
মন্তব্য করুন
