

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
এই শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে নতুন করে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা।
তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, এই অনুষ্ঠানে মোদির উপস্থিতি অনেকটা অনিশ্চিত। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় এ আয়োজনে আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভারতের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তারেক রহমানের দল বিএনপির নেতারা জানান, শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, তবে একই দিন মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি থাকায় নরেন্দ্র মোদির ঢাকার যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম।
অবশ্য মোদি না এলেও তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে একজন জ্যেষ্ঠ নেতা প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন, সম্ভবত উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় যেতে পারেন।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন ভারতীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে তাড়াহুড়ো করে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে চায় না, যদিও সম্পর্ক তলানিতে নেমে যাওয়ায় তা পুনরায় পুনর্গঠন করা এখনও দিল্লির কাছে অগ্রাধিকার।
একজন সূত্র বলেন, অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও আমন্ত্রিত হতে পারেন— এমন পরিস্থিতিতে একই মঞ্চে ভারতের পক্ষ থেকে উপস্থিতির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম ফোনালাপে নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন

