

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফুটবল বিশ্বে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত তারকা লামিনে ইয়ামাল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেকের পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন এই তরুণ। স্পেনের জাতীয় দলের হয়েও সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার কীর্তি গড়েছেন তিনি। এরই মধ্যে জিতেছেন ইউরো এবং বিশ্বকাপ। ক্লাব ও দেশের হয়ে সাফল্যের পাশাপাশি তাই তার ব্যক্তিজীবন নিয়েও আগ্রহ কম নয়। বিশেষ করে এত অল্প বয়সে তিনি কোথায় থাকেন, সেটিও কৌতূহলের বিষয়।
বার্সেলোনার হয়ে আলো ছড়ানোর আগে মাতারোর রোকাফোন্দা এলাকায় বেড়ে উঠেছেন ইয়ামাল। এখন অবশ্য তার ঠিকানা অনেকটাই আলাদা। তরুণ এই ফুটবলার থাকছেন বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে লব্রেগাতে অবস্থিত সিউদাদ ডায়াগোনাল আবাসিক কমপ্লেক্সের একটি বিলাসবহুল বাড়িতে।
বাড়িটির মূল্য এক কোটি ইউরোর বেশি বলে জানা যায়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বার্সেলোনার আরেক পরিচিত নামও। একসময় এই সম্পত্তির মালিক ছিলেন সংগীতশিল্পী শাকিরা ও সাবেক বার্সেলোনা তারকা জেরার্ড পিকে। তাদের বিচ্ছেদের পর বাড়িটির মালিকানা যায় ইয়ামালের হাতে।
স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলা ২০১২ সালে বাড়িটির নকশা করেন। তিনতলা এই বাড়ির পাশাপাশি রয়েছে দুটি ভূগর্ভস্থ স্তর। পুরো সম্পত্তি ৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।
বিলাসিতার দিক থেকেও বাড়িটি কম যায় না। বড় বড় জানালা, ঝর্ণাসহ আউটডোর সুইমিং পুলের পাশাপাশি রয়েছে ইনডোর পুলও। ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার ও রেকর্ডিং স্টুডিওর সঙ্গে রয়েছে নিজস্ব ফুটবল মাঠ।
আগের মালিকদের সময়কার সাজসজ্জার বেশির ভাগই অপরিবর্তিত রেখেছেন ইয়ামাল। তবে নিজের অর্জনগুলোও সেখানে জায়গা করে নিয়েছে। বিভিন্ন ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারকের পাশাপাশি নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু আসবাবও যোগ করেছেন তিনি।
সিউদাদ ডায়াগোনাল কমপ্লেক্সে মোট চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পিকের বাবা-মায়ের, আরেকটি শাকিরার বাবা-মায়ের বলে জানা যায়। ইয়ামালের বাড়িটি মূল আবাসনের একটি। অন্য বাড়িটির সংস্কারকাজ এখনো শেষ হয়নি। উঁচু অবস্থানে থাকা এই আবাসন থেকে বার্সেলোনা শহর ও ভূমধ্যসাগরের দারুণ দৃশ্য দেখা যায়।
বাড়িটি কেনার প্রক্রিয়াটি অবশ্য একদিনে শেষ হয়নি। প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনার পর ইয়ামালের আইনজীবীরা তাঁর অনুপস্থিতিতেই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন বলে জানা যায়।
মাত্র ১৮ বছর বয়সেই এত মূল্যবান সম্পত্তির মালিক হয়েছেন ইয়ামাল। যে বাড়ি একসময় শাকিরা ও পিকের পারিবারিক জীবনের নানা ঘটনার সাক্ষী ছিল, সেটিই এখন বার্সেলোনার তরুণ তারকার নতুন ঠিকানা। ফুটবল মাঠে দ্রুত উত্থানের পর ব্যক্তিজীবনেও যেন নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন ইয়ামাল।