

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাত্র ২২ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন উরুগুয়ের প্রতিভাবান ফুটবলার ব্রুনো বেন্তানকর। হৃদ্রোগজনিত আকস্মিক ক্রিয়া বন্ধ (কার্ডিওরেসপিরেটরি অ্যারেস্ট) হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে উরুগুয়ের অপেশাদার লিগের ক্লাব দেপোর্তিভো ইতালিয়ানো। কয়েকদিন আগেই আর্জেন্টিনার ক্লাব দেপোর্তিভো রিয়েস্ত্রায় ট্রায়াল দিতে গিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
উরুগুয়ের ফুটবলের জন্য এটি ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও বেদনাদায়ক একটি খবর। ব্রুনো বেন্তানকরকে একসময় দেশটির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব পেনিয়ারোলের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তরুণদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ক্যারিয়ারের শুরুতেই তিনি নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে নজর কেড়েছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে কার্ডিওরেসপিরেটরি অ্যারেস্টের কথা জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় দেপোর্তিভো ইতালিয়ানো লিখেছে, ‘বোলা, তুমি আমাদের প্রতিটি গোলের উল্লাসে, প্রতিটি আলিঙ্গনে এবং এই ক্লাবের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। শান্তিতে ঘুমাও। আর তুমি যেমন বলতে, “প্রিমো বোলা, দেখা যাক।’
বেন্তানকরের ফুটবল যাত্রা শুরু হয়েছিল ফেনিক্সের বয়সভিত্তিক দলে। পরে তিনি যোগ দেন উরুগুয়ের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব পেনিয়ারোলে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে, ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ, তিনি ক্লাবটির হয়ে প্রথম বিভাগের অভিষেক করেন।
পেনিয়ারোলের জার্সিতে তিনি ১৪টি ম্যাচ খেলেন এবং তিনটি অ্যাসিস্ট করেন। এরপর ২০২৪ সালে তিনি চিলির ক্লাব এভারটনে যোগ দেন। সেখানে সাতটি ম্যাচ খেলে একটি গোল করেন। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে না পারায় আবার উরুগুয়েতে ফিরে আসেন।
দেশে ফিরে প্রথমে রেন্তিস্তাসের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন এবং একটি অ্যাসিস্ট করেন। এরপর সেরো ক্লাবে যোগ দিয়ে চারটি ম্যাচে আরও একটি অ্যাসিস্ট করেন।
পরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব আল আইনে যোগ দেন তিনি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ক্লাবটিতে নাম লেখানোর পর একটি টিকটক লাইভে নতুন দেশ, সংস্কৃতি এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মজার ছলে বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আমি নিজেই জানি না আমি কোন দলে আছি। দলের নামও জানি না।’ তাঁর এই মন্তব্য তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।