

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের টিকিট পেতে এবার আর কোনো লড়াই করতে হবে না আর্জেন্টিনাকে। ২০৩০ বিশ্বকাপে বর্তমান রানার্সআপদের জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। তবে আসন্ন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেও বাছাইপর্বের লড়াইয়ে নামতে হতে পারে লিওনেল মেসিদের।
বিষয়টি নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়া একটি দলকে কেন আবার বাছাইপর্বে খেলতে হবে—এর ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে ২০৩০ বিশ্বকাপের নতুন কাঠামোতে।
বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে ২০৩০ সালের আসর হবে ভিন্ন আয়োজনের। মূল আয়োজক স্পেন, মরক্কো ও পর্তুগালের পাশাপাশি উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে একটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর সুবাদে দক্ষিণ আমেরিকার এই তিন দেশ পেয়েছে স্বাগতিকের মর্যাদা।
তবে আর্জেন্টিনাকে বাছাইপর্বের বাইরে রাখলে দক্ষিণ আমেরিকার লড়াইয়ের গুরুত্ব কমে যেতে পারে বলে মনে করছে কনমেবল। কারণ, আগামী বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে মহাদেশটির জন্য বরাদ্দ জায়গাও বাড়তে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে সরাসরি জায়গা পাওয়ায় বাকি দলগুলোর জন্য বাছাইপর্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় সহজ হয়ে যেতে পারে। তাই বাছাইপর্বকে কার্যকর ও আকর্ষণীয় রাখতে নতুন পরিকল্পনা করছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কর্তৃপক্ষ।
কনমেবলের ভাবনায় রয়েছে উয়েফা নেশনস লিগের আদলে একটি নতুন প্রতিযোগিতা আয়োজন। যেখানে দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলো ইউরোপের শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষেও নিয়মিত খেলার সুযোগ পেতে পারে।
প্যারাগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রবার্ট হ্যারিসন জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ের বিশ্বকাপ নিশ্চিত হলেও বাকি দলগুলোর জন্য বাছাইপর্বের লড়াই থাকবে। পাশাপাশি ইউরোপের দলগুলোর সঙ্গে একটি নতুন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে।
তবে ফিফা এখনো ২০৩০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সূচি প্রকাশ করেনি। এর আগে আগামী আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলা ফিফা উইন্ডোতে হবে এই ম্যাচ দুটি। প্রতিপক্ষ ও ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বিশ্বকাপের জায়গা নিশ্চিত হলেও আর্জেন্টিনার সামনে তাই অপেক্ষা করছে নতুন চ্যালেঞ্জ। শিরোপা জয়ের প্রস্তুতির পথে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন তাদের বড় লক্ষ্য।