

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। আবেদনকারীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, মুঠোফোনে এসএমএস এবং নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীর দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।
এছাড়া, নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও ফল জানা যাবে। এ জন্য rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল সংগ্রহ করতে হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হবে।’
এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো আবেদন করা উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। অর্থাৎ, শুধু নম্বর যোগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের মধ্যেই এবারের প্রক্রিয়া সীমাবদ্ধ ছিল না। আবেদন করা খাতাগুলো আবার মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এর আগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে মূলত উত্তরপত্রে নম্বর যোগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতো। নতুন করে পুরো উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হতো না। তবে এবার আবেদন করা উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।
গত ১১ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। আবেদন চলে ১৭ আগস্ট রাত পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।
একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন। এ কারণে পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় মোট আবেদনের সংখ্যা বেশি হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে। সব মিলিয়ে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন হয়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।
এছাড়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহীতে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।
অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।

