

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের স্পেনের কাছে হেরে টানা দ্বিতীয় বারের মতো শিরোপা ঘরে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে আর্জেন্টিনার। টুর্নামেন্টটি শেষ করে এরই মধ্যে নিজ দেশে ফিরেও গেছেন দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা। এরই মধ্যে আর্জেন্টিনার ড্রেসিং রুমের অস্থিরতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিতর্ক ও গুঞ্জন দেখা গেছে।
তবে এসব জল্পনাকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন স্কালোনি। দলের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এমন ধারণার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। দলের সবাই একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে এবং মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়েছে।
স্কালোনির মতে, জাতীয় দলের জার্সির প্রতি খেলোয়াড়দের দায়বদ্ধতাই এই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতে যারা আর্জেন্টিনার হয়ে খেলবে, তারাও যেন একই মানসিকতা ধরে রাখে—এটাই তার প্রত্যাশা।
বিশ্বকাপ শেষে বুয়েনস আইরেসে সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় মুগ্ধ এই কোচ। তিনি বলেন, পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন হলেও খেলাধুলায় হার-জিত স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সামনে এগিয়ে যাওয়া।
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও মুখ খুলেছেন স্কালোনি। তিনি জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত তার বর্তমান চুক্তি রয়েছে। এরপর কী হবে, তা সময়ই নির্ধারণ করবে। তবে তিনি মনে করেন, কোনো ব্যক্তি নয়—সবার আগে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল। কোচ পরিবর্তন হলেও দলের ঐক্য ও সমর্থকদের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকা উচিত।
২০২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্কালোনি হাস্যরসের সঙ্গে তা এড়িয়ে যান। পরে বলেন, আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ হওয়াটাই তার কাছে স্বপ্নপূরণের মতো ছিল। এর আগে কোথাও প্রধান কোচ হিসেবে কাজ না করেও যে সাফল্য এসেছে, তা তার কল্পনারও বাইরে।
ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা থাকলেও স্কালোনি ইতিবাচক দিকগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান। তার মতে, এই দল দেশের মানুষকে, বিশেষ করে শিশুদের, অসংখ্য আনন্দের মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। ফাইনাল হারের পরও সমর্থকদের মুখে হাসি দেখতে পাওয়াই তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।
এদিকে, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলারের 'দ্য ফকল্যান্ডস আর আর্জেন্টাইন' লেখা পতাকা প্রদর্শন নিয়েও আলোচনা চলছে। এ ঘটনায় সম্ভাব্য শাস্তির বিষয়ে স্কালোনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে কিছুই জানতেন না। খেলোয়াড়রা তাকে কিছু বলেননি এবং তিনিও অন্য সবার মতো পরে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
