

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রাউন্ড অব ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে ৩-২ ব্যবধানে (নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১) হেরে বিদায় নিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। তবে হারের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে শুটআউটকে ঘিরে জার্মান শিবিরের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি।
জার্মান সংবাদমাধ্যম বিল্ড-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রথম পাঁচটি করে শট শেষে স্কোর ৩-৩ সমতায় থাকাকালে ‘সাডেন ডেথ’-এ যাওয়ার আগে দলের অন্তত ফুটবলার পেনাল্টি নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এরপরই ষষ্ঠ শট নেওয়ার দায়িত্ব পড়ে ডিফেন্ডার জোনাথন টাহর ওপর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিওন গোরেৎস্কা, ভালদেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন এবং মালিক থিয়াও পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাননি। বিশেষ করে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গোরেৎস্কা অধিনায়ক জশুয়া কিমিখের অনুরোধ সত্ত্বেও শট নিতে রাজি হননি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন বা সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগে কখনো পেনাল্টি না নেওয়া জোনাথন টাহ স্পট কিকে এগিয়ে আসেন। কিন্তু তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে প্যারাগুয়ের জয় নিশ্চিত হয়।
টুর্নামেন্টে জার্মানির শুরু ছিল দারুণ। প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দেয় তারা। এরপর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয় পেলেও পারফরম্যান্সে কিছু দুর্বলতা চোখে পড়ে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে নকআউটে ওঠে দলটি।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে জোনাথন টাহর একটি হেড ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে কাই হাভার্টজ, নিক ভল্টেমাডে এবং জোনাথন টাহ—এই তিনজনের পেনাল্টি মিসই শেষ পর্যন্ত জার্মানির বিদায়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই হারের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে পৌঁছানোর আগেই বিদায় নিতে হলো জার্মানিকে, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে হতাশাজনক এক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
