

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা সুইজারল্যান্ড ম্যাচে ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছেই। অনেকেই রেফারির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার কেউ দাবি করেছেন, এক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা সুবিধা পেয়েছে। তবে ম্যাচের ভিডিও পর্যালোচনা (ভিএআর) এবং ফুটবলের প্রচলিত আইন অনুযায়ী রেফারির সিদ্ধান্ত কীভাবে এসেছে, সেটিই এখন আলোচনার মূল বিষয়।
ম্যাচের ৭১তম মিনিটে এমবোলোকে ফাউল করার অভিযোগে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এরপর ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করেন। খেলা কিছুক্ষণ চললেও ফের থেমে যায় ভিএআরের ডাকে।
রিপ্লে বিশ্লেষণে দেখা যায়, পারেদেসের বিরুদ্ধে দেওয়া সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল না। বরং সংঘর্ষের সময় এমবোলোর আচরণকে প্রতারণামূলক (সিমুলেশন) হিসেবে বিবেচনা করেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। এরপর পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয় এবং এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। যেহেতু তার নামের পাশে আগেই একটি হলুদ কার্ড ছিল, তাই দ্বিতীয় হলুদ থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ড দেখতে হয় তাকে।
ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা আইএফএবি অনুযায়ী, ভিএআরের অন্যতম কাজ হলো রেফারির স্পষ্ট ভুল বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত সংশোধন করা। অর্থাৎ মাঠের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগে ভিডিও পর্যালোচনায় ভুল ধরা পড়লে রেফারি আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
এ কারণেই এমবোলোর ঘটনাকে অনেকেই ‘মিসটেকেন আইডেনটিটি’ বা সিদ্ধান্ত সংশোধনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। যদিও সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছে, ফুটবলের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ভিএআরের সহায়তায় এমন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
ম্যাচের সময় এমবোলোর বিদায়ের আগে স্কোর ছিল ১-১। একজন খেলোয়াড় কম নিয়েও সুইজারল্যান্ড নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সমতা ধরে রাখে। তবে অতিরিক্ত সময়ে দুই গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় তারা। অন্যদিকে জয় নিশ্চিত করে শেষ চারে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।

