

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মরক্কোর বিপক্ষে জয়ের রাতে কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টি মিস হয়তো খুব বেশি দিন মনে রাখবেন না ফ্রান্সের সমর্থকেরা। কারণ সেই ব্যর্থতার পরও ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে দিদিয়ের দেশমের দল। তবে এই ম্যাচে এমবাপে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের এক বিরল তালিকায়।
বিশ্বকাপের মূলপর্বে ফ্রান্সের হয়ে পেনাল্টি মিস করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা এখন মাত্র দুই। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে করিম বেনজেমা পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ১২ বছর পর সেই তালিকায় যোগ হলো ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের নাম।
মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথমার্ধে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। ভিএআরে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার পর রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো স্পট কিকের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। ম্যাচের ২৭তম মিনিটে পেনাল্টি নিতে গিয়ে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর কাছে পরাস্ত হন এমবাপে। দৌড়ের গতি কমিয়ে বুনুকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও তার দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক।
এর আগে বিশ্বকাপে পেনাল্টি থেকে এমবাপের রেকর্ড ছিল শতভাগ সফল। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুটি এবং এবারের আসরে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে একটি—মোট তিনটি পেনাল্টিই তিনি গোলে পরিণত করেছিলেন। মরক্কো ম্যাচেই সেই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে।
তবে পেনাল্টি মিসের হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি এমবাপে। দ্বিতীয়ার্ধের ৬০তম মিনিটে দারুণ এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। পরে ওসমান দেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে ফ্রান্স।
এই ম্যাচে এমবাপের সঙ্গে করিম বেনজেমার আরেকটি মিলও তৈরি হয়েছে। দুজনই বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিস করার পর একই ম্যাচে গোল করেছেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বেনজেমা পেনাল্টি মিসের পর ৬৭তম মিনিটে গোল করেছিলেন। আর এমবাপে মরক্কোর বিপক্ষে গোল করেন ৬০তম মিনিটে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ফ্রান্স ১৮টি পেনাল্টি পেয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি থেকে গোল করেছে দলটি। বাকি দুটি পেনাল্টি মিস করেছেন কেবল করিম বেনজেমা ও কিলিয়ান এমবাপে।

