

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলমান ফিফা বিশ্বকাপে নেইমারকে নিয়ে জল্পনা শেষই হচ্ছে না। বিশ্বকাপে ব্রাজিল এরই মধ্যে চারটি ম্যাচ খেললেও খুব কম সময় মাঠে নামার সুযোগ হয়েছে তার। গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচে শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। এরপর শেষ-৩২ এর ম্যাচে আবারও তাকে বেঞ্চে বসেই কাটাতে হয়। ফলে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছে নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে তার মাঠে নামা নিয়ে।
ব্রাজিল কোচ স্পষ্ট করে বলেছেন, নেইমার ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে একসঙ্গে খেলানো সম্ভব। তাঁর ভাষায়, প্রয়োজনে দুজনই একই একাদশে থাকতে পারেন। তবে কে কতক্ষণ খেলবেন, সেটি নির্ভর করবে ম্যাচের পরিস্থিতি ও দলের প্রয়োজনের ওপর।
আনচেলত্তির মতে, নেইমারের ফিটনেস নিয়ে এখন আর বড় কোনো প্রশ্ন নেই। প্রয়োজন হলে তিনি পুরো ৯০ মিনিটও খেলতে পারবেন। তবে শুরু থেকেই মাঠে নামবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত ম্যাচ চলাকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নেওয়া হবে।
জাপানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচেও নেইমারকে নামানোর পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছেন ইতালিয়ান এই কোচ। কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেননি। আনচেলত্তির ব্যাখ্যা, দল যখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তখন কৌশল বদলানোর প্রয়োজন দেখেননি তিনি।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নেইমারের খেলার সময় মাত্র ১৪ মিনিট। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। এরপর জাপানের বিপক্ষে আরও বেশি সময় খেলার সম্ভাবনা তৈরি হলেও তা হয়নি।
বেঞ্চে বসে থাকতে নেইমার যে স্বস্তিতে নেই, সেটিও স্বীকার করেছেন আনচেলত্তি। তবে তিনি বলেছেন, মাঠের বাইরে নেইমারের আচরণ সব সময়ই পেশাদারসুলভ। অনুশীলনে তার নিবেদন, সতীর্থদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দলের প্রতি দায়বদ্ধতায় কোচ সন্তুষ্ট।
এর মধ্যে ব্রাজিলের জন্য নতুন দুশ্চিন্তার নাম লুকাস পাকেতা। মিডফিল্ডারটি চোটে পড়ে ছিটকে গেছেন এবং এই বিশ্বকাপে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা অনিশ্চিত। অন্যদিকে রাফিনিয়া অনুশীলনে ফিরলেও এখনও পুরোপুরি ম্যাচ ফিট নন। ফলে মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, আর সেই সমীকরণেই নেইমারের নাম আবার সামনে আসছে।
আজ দিবাগত রাত ২টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নরওয়ের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। টানা পাঁচ বিশ্বকাপে ইউরোপের দলের কাছে বিদায় নেওয়ার হতাশা কাটানোর পাশাপাশি কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করাই হবে সেলেসাওদের লক্ষ্য। আর সেই লড়াইয়ে নেইমার কতটা ভূমিকা রাখতে পারবেন, তার উত্তর মিলবে কোচ আনচেলত্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেই।

