

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শেষ বাঁশি বাজার পরও আবেগ সামলাতে পারেননি নেইমার। প্রায় তিন বছর অপেক্ষার পর আবার ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামার দিনটি তার কাছে ছিল শুধুই একটি ম্যাচ নয়, বরং ফিরে আসার গল্প। যে গল্পে আছে চোট, অনিশ্চয়তা, দীর্ঘ পুনর্বাসন আর অসংখ্য কঠিন মুহূর্ত।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ৯৮১ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটান ব্রাজিলের এই তারকা। ২০২৩ সালের অক্টোবরে জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলার পর প্রথমবার আবারও সেলেসাওদের জার্সিতে দেখা যায় তাকে।
ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে মাঠে নামান। দর্শকদের করতালি আর সতীর্থদের উচ্ছ্বাসের মাঝেই শুরু হয় নেইমারের প্রত্যাবর্তনের নতুন অধ্যায়।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে নেইমার জানান, ‘বুকটা দুরুদুরু কাঁপছিল, ভীষণ নার্ভাস লাগছিল। তবে একই সাথে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি গর্বিত যে সবকিছু ঠিকঠাক শেষ হয়েছে।’
দীর্ঘ ৩২ মাস পর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামার দিনটিকে নিজের জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই দিনটিকে আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ দিনগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করব। কারণ ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি পরা প্রতিটি ছেলের স্বপ্ন। দীর্ঘ সময় পর চোট কাটিয়ে আমি এই জার্সিতে ফিরেছি। মাঠ থেকে দূরে থাকার সময়টায় এটিকে ভীষণভাবে মিস করেছি। আজ প্রায় তিন বছর পর ফিরতে পেরে আমি খুবই খুশি ও আবেগাপ্লুত।
নেইমার জানান, জাতীয় দলের বাইরে কাটানো সময়টায় তিনি সবচেয়ে বেশি মিস করেছেন এই জার্সি ও দেশের হয়ে খেলার অনুভূতিকে। প্রত্যাবর্তনের দিনটি তাই তার কাছে নতুন করে স্বপ্ন দেখার মতো।
