

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে কোনো ধরনের অনীহা না দেখিয়ে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্র-সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তিরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এ বিষয়ে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ ওঠে, তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে এবং বিভিন্ন অজুহাতে বিক্রিতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই সঞ্চয়পত্র বিক্রির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইস্যু অফিস হিসেবে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সেবার মান বজায় রাখতে হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি ব্যাংক শাখায় সঞ্চয়পত্র-সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণের পদ্ধতি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।
পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।
মেয়াদ শেষে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পাশাপাশি দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও এসব সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা হয়।
