

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফা বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম।
ম্যাচ চলাকালে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের মুখ হাত দিয়ে ঢেকে রাখতে দেখা যায় তাকে, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
চলতি বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী এমন আচরণের জন্য সরাসরি লাল কার্ড পাওয়ার বিধান থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো শাস্তি পাননি তিনি।
ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় ঘানার ডাগআউটের সদস্যদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বেলিংহ্যাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসতে হয় সতীর্থ মর্গান রজার্সকে। এমনকি ঘানার কোচ কার্লোস কুইরোজের সঙ্গেও তাকে তর্ক করতে দেখা যায়।
তবে ম্যাচের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয় ঘানার ফরোয়ার্ড জর্ডান আইউর সঙ্গে বেলিংহ্যামের একটি মুহূর্ত। কথোপকথনের সময় তিনি নিজের মুখ হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। আর এটিই নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
চলতি বিশ্বকাপ থেকে ফিফা একটি নতুন নিয়ম চালু করেছে। কোনো উত্তপ্ত বা বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতিতে খেলোয়াড় যদি মুখ আড়াল করে কথা বলেন, তাহলে রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখাতে পারবেন। এর পেছনের যুক্তি হলো, মুখ ঢেকে কথা বললে কী বলা হচ্ছে তা বোঝা কঠিন হয়ে যায় এবং অনেক সময় আপত্তিকর মন্তব্যও আড়ালে থেকে যেতে পারে।
ইতোমধ্যে এই নিয়মের প্রয়োগও দেখা গেছে। তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরনকে ভিএআরের সহায়তায় সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। ফলে বেলিংহ্যামের ঘটনাটি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
তবে ম্যাচ কর্মকর্তারা মনে করেন, জর্ডান আইউর সঙ্গে বেলিংহামের কথোপকথন কোনোভাবেই উত্তপ্ত বা মারমুখী ছিল না। সেটি ছিল সাধারণ আলাপচারিতা। ফলে ঘটনাটি নতুন নিয়মের আওতায় পড়েনি এবং তাকে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফার রেফারি কমিটির চেয়ারম্যান পিয়েরলুইজি কোলিনা জানিয়েছিলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ বা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বললে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এমন আচরণ করলে সেটি সরাসরি লাল কার্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
