

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেলের ভাড়া বকেয়া থাকার অভিযোগের ঘটনায় নতুন করে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তার দাবি, অভিযোগ পাওয়ার পরও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
বুধবার (০১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ অভিযোগ করেন।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেন বরাবর হোটেল কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগে হোটেল ভাড়া বকেয়ার পাশাপাশি হোটেলে অবস্থানকালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এবং সিসিটিভি ফুটেজ থাকার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এরপরও দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খানের ভাষ্য, হোটেলের ১১ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকা বকেয়া রেখে এনসিপির ২১ জন নেতা চলে যান। তার দাবি, এ ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব এস এম শাহরিয়ার।
ফেসবুক পোস্টে শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ তোলেন রাশেদ খান। সেখানে তিনি দাবি করেন, অতীতের রাজনৈতিক পরিচয় এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণের দাবি করা হলেও অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তবে রাশেদ খানের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দলটির শীর্ষ নেতৃত্বও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেয়নি।
এর আগে রাজধানীর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড কর্তৃপক্ষ এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে ভাড়া বকেয়া থাকাসহ সেখানে অবস্থানকালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে দলটির নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা জানায়। ওই অভিযোগের বিষয়ে এনসিপি জানিয়েছিল, বিষয়টি তাদের শৃঙ্খলা কমিটি পর্যালোচনা করছে।
