

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হয়তো আমিই প্রথম ‘বলির পাঁঠা’ বা ‘টার্গেট’ হতে পারি, কিন্তু শেষ ব্যক্তি হব না। এর পর আপনাদের প্রত্যেককেই একের পর এক নিশানা করা হবে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
শনিবার (২৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন সতর্কবার্তা দেন।
পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘হয়তো আমিই প্রথম বলির পাঁঠা বা টার্গেট হতে পারি, কিন্তু শেষ ব্যক্তি হব না। আপনাদের প্রত্যেককেই একে একে নিশানা করা হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘প্রকৃত ও বৈধ ব্যক্তিদের জায়গা দখল করবে কেবল দাবার গুটির মতো ব্যবহৃত লোকজন। এর পরিণতি সামাল দেওয়া আপনাদের পক্ষে সম্ভব হবে না।’
মাহফুজ আলম শত্রুদের স্বার্থে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শত্রুদের স্বার্থে কাজ করে বলির পাঁঠা হবেন না। বলির পাঁঠাদের শেষ পর্যন্ত উৎসর্গই করা হয়।’
একই পোস্টে তিনি ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত পরিহারের আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ‘ভ্রাতৃঘাতী সব ধরনের সংঘাত এড়িয়ে চলুন। সর্বোচ্চ মাত্রার ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখুন।’
পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘সম্ভবত প্রতিটি আধুনিক রাজাই এমন এক বলির পাঁঠা, যে কেবল নিজের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার সময়টুকু পিছিয়ে দিতে পেরেছে।’—পিটার থিয়েলের এই উদ্ধৃতি উল্লেখ করে তিনি ফরাসি চিন্তাবিদ রেনে জিরারের বই পড়ার পরামর্শ দেন।
তবে ঠিক কোন ইস্যুতে তিনি এ পোস্ট করেছেন, তার সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত বা স্পষ্ট করেননি মাহফুজ আলম।
এর আগে মাহফুজ আলমের ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা নিয়ে নেট দুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।
সম্প্রতি একটি অনলাইন টক-শোতে অংশ নিয়ে ইস্যুটি নিয়ে মাহফুজ জানান, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে কখনো ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা দেননি এবং এই শব্দটি সবসময়ই একটি নেতিবাচক বা বাজে অর্থ বহন করে বলে সেখানে মন্তব্য করেন মাহফুজ আলম।