

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।
এর আগে চীনের স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৫টায় (বাংলাদেশ সময় সোয়া ৩টা) চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফর সঙ্গীরা বেইজিং তাসিং বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় জানানো হয়। বিদায়লগ্নে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের শুভকামনা জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং। প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিনী গাড়ি থেকে নেমে লাল গালিচায় হেঁটে বিমানে আরোহণ করেন।
গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর শেষে গত সোমবার (২২ জুন) রাতে তিনি চীনের দালিয়ানে পৌঁছান।
দালিয়ানে আয়োজিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন অধিবেশনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। দালিয়ান থেকে বুধবার দুপুরে চীনের ঐতিহ্যবাহী হাইস্পিড ট্রেনে চড়ে বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী।
বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তারেক রহমান। এছাড়া চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও তার সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বেইজিংয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে আয়োজিত একটি মেগা বিনিয়োগ সম্মেলনেও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিনের এই চীন ও মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশের অর্থনীতি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।