রবিবার
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপির কোন রাজনৈতিক আদর্শ নাই: আবু হানিফ 

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
expand
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কোন রাজনৈতিক আদর্শ নাই, দল বড় করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আইডিতে দেয়া পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের দেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের রাজনীতি করা প্রসঙ্গের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি লেখেন, ‘যে সংগঠনের (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ) কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের জন্য রাজনৈতিক পুনর্বাসনের দরজা খুলে দেওয়া মানে সেই সহিংসতাকে বৈধতা দেওয়া। আগেই অভিযোগ ছিলো এনসিপি বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছে। এখন সেই অভিযোগ যেন প্রকাশ্য সত্যে পরিণত হলো। একদিকে সাবেক শিবির, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের লোকজন এই মিশ্রণে গড়ে উঠা দলটি আদর্শের জায়গা থেকে কতটা দৃঢ়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই স্বাভাবিক।’

আবু হানিফের ফেসবুক পোস্টের অংশ বিশেষ

তিনি আরও লিখেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ যে নির্মমতা দেখিয়েছে, তা কোনোভাবেই ভোলার নয়। শুরু থেকেই তারা আমার ভাই-বোনদের ওপর হামলা চালিয়েছে, আর সেই বর্বরতা ছড়িয়ে পড়েছিলো সারাদেশে। ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর যে সংগঠন সন্ত্রাসী কায়দায় আঘাত হেনেছে, তাদের বিরুদ্ধে তখন দেশের সব মহল থেকে নিষিদ্ধের জোর দাবি উঠেছিল। অবশেষে অন্তর্বর্তী সরকার সেই দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে, যেখানে জুলাই আন্দোলনের নেতাদের ভূমিকাও ছিলো স্পষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আজ সেই অবস্থান থেকেই ভয়াবহ এক বিপরীত সুর শোনা যাচ্ছে।’

এনসিপির কোন রাজনৈতিক আদর্শ নাই, দল বড় করাই তাদের মূল লক্ষ্য এমন মন্তব্য করে আবু হানিফ আরও লিখেন, যারা জুলাইয়ে রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরই আবার আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা শহীদদের আত্মত্যাগকে অপমান করছে। এই বিশ্বাসঘাতকতার বিচার ইতিহাস একদিন অবশ্যই করবে। কারণ রক্তের দাগ মুছে ফেলা যায় না।’

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন