

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ৭ আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করা ইসকাক সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এনসিপির এক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র মতে, বড় ধরনের কিছু না হলে রবিবার দুপুরে আয়োজিত এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানেই দলটিতে যোগ দিচ্ছেন বিএনপির সাবেক এই নেতা। এতে আপ বাংলাদেশসহ বেশ কিছু তরুণ নেতারও যোগদানের কথা রয়েছে।
জানা গেছে, মোহাম্মদ ইসহাক সরকার এর আগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকলেও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে কিছুদিন আগে। এর প্রেক্ষিতেই গত ৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মোহাম্মদ ইসহাক সরকারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করা এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ ইসহাক সরকার সর্বশেষ স্বতন্ত্র প্রতীক ‘ফুটবল’ মার্কা নিয়ে ঢাকা-৭ (আসন নং- ১৮০ লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর) থেকে নির্বাচন করে বিএনপি প্রার্থী হামিদুর রহমানের কাছে হেরে যান। নির্বাচনে আসনটি থেকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি।
রাজনৈতিক জীবন থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাজনীতিতে বড় জায়গা করে নেন ইসহাক সরকার। বিএনপির আহ্বানে হরতাল-অবরোধসহ নানা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ইসহাক সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। যদিও এ কারণে আওয়ামী লীগ আমলে মামলা-মোকদ্দমা থেকে ছাড় পাননি দলটির ত্যাগী এই নেতা। এক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে শাহবাগে গাড়ির আগুন থেকে শুরু করে লালবাগ, সূত্রাপুর, কোতোয়ালি, গুলিস্তান, পল্টন ও মতিঝিল এলাকার সংগঠিত ঘটনার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ইসহাক সরকার।
মন্তব্য করুন
