

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ সংক্রান্ত স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌ-যোগাযোগ খাতে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ভাড়া নির্ধারণ, সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ এবং নীতি-কৌশল প্রণয়নের যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে এই খাতে যাত্রী দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে।
এতে আরও বলা হয়, গণমানুষের দল বিএনপি সরকার গঠনের পরও এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। ফলে জনগণের মধ্যে চরম হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে আজ মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বা লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অতীতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা প্যানেল ছিল না, এখনও নেই। এহেন পরিস্থিতিতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবশালী নেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপনের মাধ্যমে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকেন। এতে জনস্বার্থ তথা যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয় এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ বাড়ে।
সংগঠনটি জানায়, গণমানুষের দল হিসেবে বিএনপি সরকার অতীতের নীতি ও কৌশল পরিহার করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ভোক্তা অধিকার নীতিমালা অনুসরণ করবে। পাশাপাশি বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন এবং ভাড়া পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীস্বার্থ সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন