

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গণঅধিকার পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন, দলটির ভেতরে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবিরের একটি অংশ নুরুল হক নুর-কে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি দাবি করেন, এসব গোষ্ঠী নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখতে গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের তরুণদের রাজনীতিতে এগিয়ে আসার সম্ভাবনাকে নষ্ট করছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
স্ট্যাটাসে রাশেদ খান লেখেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে তরুণদের রাজনীতির একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। নিজেদের রাজনীতি বাঁচিয়ে রাখতে সেটাকে জামায়াত-শিবির গলাটিপে হত্যা করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৯ দফার ঘোষণা দিয়েও ডাকসুর ভিপি হতে পারেনি আব্দুল কাদের। এখানে তার দোষ কতটুকু? ঝুঁকি নেওয়াটাই বড় দোষ ছিল বুঝি?’
তিনি আরও বলেন, ‘সে যাতে ডাকসুর ভিপি হতে না পারে, সে জন্য একযোগে কাজ করেছে জামায়াত-শিবির। গণঅভ্যুত্থানের পর জাশি প্রোপাগান্ডা, সহানুভূতি ও ওয়েলফেয়ার কার্ড খেলেছে। নতুনদের দল সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে তাদের সাথে পেরে দেয়নি। ঠিক এনসিপিও যাতে দল হিসেবে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়াতে পারে না, এ জন্য শুরু থেকেই এনসিপিতে জামায়াত-শিবিরের কর্মী ঢুকিয়ে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি এনসিপির ৮০% নেতাকর্মী জাশি থেকে আসা। এরা কোনো দিন জাশির মতামতের বাইরে বিকল্প কিছু করতে দিবে না। এভাবে একটি নতুন সম্ভাবনাকে হত্যা করেছে জাশি। আমি ঠিক একই কারণে গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জাশির অত্যাচারের জন্যই দল ছেড়েছি। এরা জামায়াতের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদকে নেওয়ার সমস্ত প্লান করেছিল। আমি রাজি না হওয়ায়, আমাকে ব্যাপকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত করে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘এরা সে সময় নির্বাচনের আগে নুরুল হক নুরকে পর্যন্ত বহিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছিল। ভুয়া প্রেস রিলিজও দিয়েছিল। এখন নুরুল হক নুরকে যাতে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, সেই প্লান নিয়ে, নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য কাজ করছে। নিজেদের কর্মী ঢুকিয়ে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি দুটো দলের একটাকেও নিজেদের রাজনীতি করতে দেয়নি জাশি, দুইয়ের সম্ভাবনাকেই গলা টিপে হত্যা করেছে তারা।’
মন্তব্য করুন
