

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত বছরের কাজা রোজা আদায় না করেও নতুন বছরের রমজানের ফরজ রোজা রাখা যাবে। কারণ বর্তমান রমজানের রোজা সময় নির্ধারিত ফরজ (ফরজে আইন),
আর কাজা রোজা সময় নির্ধারিত নয়। তাই নতুন রমজানের রোজা আগে আদায় করাই বাধ্যতামূলক।
তবে মনে রাখতে হবে, ইচ্ছাকৃতভাবে আগের বছরের কাজা রোজা দেরি করা গুনাহের কাজ। বিশেষ করে যদি কোনো ওজর ছাড়া এক রমজান থেকে আরেক রমজান পর্যন্ত কাজা আদায় না করা হয়, তাহলে তওবা করা জরুরি।
আরও পড়ুনঃ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙলে কাফফারা আদায়ের নিয়ম কী?
হানাফি মাজহাব অনুযায়ী
নতুন রমজানের রোজা আগে রাখবে। রমজান শেষ হওয়ার পর আগের কাজা রোজাগুলো আদায় করবে। শুধু কাজা রোজা রাখতে হবে, অতিরিক্ত ফিদইয়া দিতে হবে না (যদি ওজর ছাড়া দেরি হলেও)।
শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাব অনুযায়ী
যদি বিনা ওজরে এক রমজান পার করে কাজা না করা হয়, তাহলে কাজার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি রোজার জন্য একজন মিসকিনকে খাবার খাওয়াতে হবে (ফিদইয়া)।
আরও পড়ুনঃ অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারলে ফিদইয়া কত টাকা দিতে হয়?
নিয়ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা
রমজানের দিনে কাজা রোজার নিয়ত করা যাবে না। ঐ দিনে শুধু রমজানের ফরজ রোজার নিয়তই সহিহ হবে। কাজা রোজা রাখতে হবে রমজানের বাইরে আলাদা দিনে।
আরও পড়ুনঃ মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা কি অন্য কেউ রেখে দিতে পারবে?
সারসংক্ষেপ
গত বছরের কাজা রোজা বাকি থাকলেও নতুন রমজানের রোজা রাখা সহিহ ও ফরজ। রমজান শেষ হলে দ্রুত কাজা রোজা আদায় করা ওয়াজিব। অকারণে দেরি করলে তওবা করা জরুরি।
মন্তব্য করুন

