

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছেন, এনসিপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
রোববার (০২ আগস্ট) হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি এ চ্যালেঞ্জ দেন।
শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, আমরা বরাবরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এনসিপির বন্ধুরা একটি মামলা করেছেন। সেই মামলায় আমাকেও আসামি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। মামলায় ঘটনার তারিখ, সময় ও স্থানের উল্লেখ নেই। আসামিদের বিরুদ্ধেও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। হাতে লেখা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাদের হেয় করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তবে কাউকে অযথা হেয় করতে গেলে নিজেকেও হেয় হতে হয়।
রিংগন বলেন, আমি এনসিপির বন্ধুদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি, সংঘর্ষের ঘটনায় যদি আমার সম্পৃক্ততা তারা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
এর আগে ওই মামলায় শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে হবিগঞ্জের জুডিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মান্নানের আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও জেলা শহরে কর্মসূচি পালন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসময় দলটির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে বক্তব্য দেন।
সন্ধ্যায় জেলা শহরের সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম সার্কিট হাউসের উদ্দেশে যাওয়ার পথে কোর্ট মসজিদের সামনে তাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সারজিস আলমসহ এনসিপির নেতাকর্মীরা সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। পরে বুধবার রাতে এনসিপির ছাত্র সংগঠন জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।