

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশের সব নদী, খাল-বিল রক্ষায় জনপ্রতিনিধিদের বছরে চারবার নদী ও খাল-বিলে গোসল করানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, কোনো মেয়র, এমপি, কমিশনার, চেয়ারম্যান বা মেম্বার ক্ষমতার প্রভাবে নদী, খাল-বিল দখল করতে পারবেন না। ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে পারবেন না। যদি করেন তাকে ময়লার ভাগাড়েই গোসল করতে হবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-৪, ঢাকা-৫ ও ঢাকা-৬ আসনে পৃথক তিনটি ১১-দলীয় জোট সমর্থিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির এ সময় ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের মো. কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ আসনের ডা. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী হাফেজ হাজি মো. এনায়েত উল্লাহর হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ঢাকা-৮ আসনের জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর হাতে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দেন।
এ সময় তিনি দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি- ‘না’ মানে গোলামি।
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করেছে।
এ অঞ্চল শহীদের রক্তে রঞ্জিত। এ অঞ্চলের দায় রাষ্ট্রকেই শোধ করতে হবে। আমাদের প্রার্থীরা আপনাদের সামনে নিজ-নিজ এলাকার যেই সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সব সমস্যার সমাধান করা হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সাধারণ একজন নাগরিক অপরাধের জন্য যেই শাস্তি পাবেন, প্রেসিডেন্টও অপরাধ করলে একই শাস্তি পাবেন। বিচারের ক্ষেত্রে শুধু অপরাধ বিবেচ্য বিষয় হবে। অপরাধ করলে কেউ ছাড় পাবে না। জামায়াত আমির বলেন, জনপ্রতিনিধির নামে জনগণকে শোষণ করার দিন শেষ।
জনপ্রতিনিধিদের শাসক নয়, সেবক হতে হবে। জনগণের টাকায় দেশ চললে অবশ্যই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতি ছয় মাস পর পর জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। এ সময় জনগণের জন্য তারা কী কী কাজ করেছেন এবং পরবর্তী ছয় মাসে কী কী কাজ করবেন- তার হিসাব জনগণকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রতিটি সরকার চরম অবহেলা করেছে। কওমি মাদ্রাসার সিনিয়র লেভেলের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও নিচের দিকের কোনো সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে কওমি মাদ্রাসার সর্বস্তরের সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন

