

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জীবন নিয়ে গবেষণায় অপ্রতুলতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গবেষণা অপ্রতুল। এটা ইতিহাসের কিছুটা কৃপণতা ও অবিচার। তাই জিয়াউর রহমানের কাজ, চিন্তা-ভাবনাসহ তাঁর পুরো জীবন নিয়ে ভালো ও উঁচু মানের গবেষণা হওয়া প্রয়োজন।
রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি তিনি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করেছিলেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া কঠিন। জিয়াউর রহমান সেই ভিত্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন।
তিনি বলেন, শুধু খাল খনন নয়, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আখ গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজে জিয়াউর রহমান অবদান রেখেছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা গত শাসনামলে দেখেছি কীভাবে চাটুকারিতা হয়েছে। আমরা আশা করবো, আপনারা এখন সেখান থেকে বের হয়ে এসেছেন। এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, সেটিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাবেন। সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতের উন্নয়নে কাজ করেছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বিকাশে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি গণতন্ত্রকে একটি কার্যকর শাসনব্যবস্থা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পাশাপাশি দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
আলোচনা সভায় জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন কর্মসূচি ও অবদানের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে জিয়ার আত্মিক সম্পর্ক ছিল বলেই তার জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টাইম ম্যাগাজিনও তার সাধারণ জীবনযাপন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
আলোচনা সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।