শনিবার
১০ জানুয়ারি ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শনিবার
১০ জানুয়ারি ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার বক্তব্য ভাইরাল: শেরপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা
expand
ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শেরপুর-১ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রচলিত ভিডিওটি প্রায় পাঁচ মিনিটের হলেও মূলত শেষ কয়েক সেকেন্ডের একটি অংশ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই অংশে ডা. প্রিয়াঙ্কাকে বলতে শোনা যায়, নির্বাচনী মাঠে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করে তিনি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির লোকজনকে কাছে টানার কথা বলেন। বক্তব্যের ভাষা ও উপস্থাপনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। শেরপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ভিডিওটি শেয়ার করে কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি এ বক্তব্যকে ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে জননিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন।

অন্যদিকে, হাফেজ রাশেদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান শেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাইম হাসান উজ্জ্বল।

তিনি দাবি করেন, বক্তব্যের একটি অংশ আলাদা করে প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সমালোচনা করেন।

একই আলোচনায় যুক্ত হয়ে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেনও মন্তব্য করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, যাতে প্রতিপক্ষকে হেয় করা যায়।

জানা গেছে, আলোচিত বক্তব্যটি দেওয়া হয় গত ৭ জানুয়ারি শেরপুর সদর উপজেলার জংগলদী বড় বাজার এলাকায় আয়োজিত একটি কর্মীসভায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পাঁচ মিনিট নয় সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের হলেও মূলত শেষ ২২ সেকেন্ডের অংশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই অংশে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে বলতে শোনা যায়, ‘আগামী ২২ তারিখ থেকে আপনারা মাঠে থাকবেন। সাধারণ মানুষ, গরীব-দুঃখী মানুষ, গুন্ডাপান্ডা, ক্যাডার, সন্ত্রাস, চোর, ডাকাত, অন্য দলের মানুষ- যেই হোক সবাইকে কাছে টেনে নিয়ে দলের জন্য যেটা ভালো হয় সেটা করবো।’

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X