

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলেন।
সারজিস আলম দাবি করেন, হামলায় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। এছাড়া হামলাকারীরা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন ভাইয়ের চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরেকজনের মুখেও রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।’
সারজিসের অভিযোগ, আহতদের চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাঁদের ওপর আবার হামলা চালানো হয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন আহত সাত-আটজন ভাইকে নিয়ে সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলাম, তখন হাসপাতালের সামনেও আমাদের ওপর হামলা করা হয়। ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা আমাদের হাসপাতালে পর্যন্ত ঢুকতে দেয়নি। আমার হাতেও রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। পরে ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।’
পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন সারজিস আলম। তাঁর দাবি, হামলার সময় পুলিশ কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেনি।
তিনি বলেন, ‘এত বড় হামলার পরও পুলিশ দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। যদি এটাই বাংলাদেশের বাস্তবতা হয়, তাহলে এর জবাব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দিতে হবে। শুধুমাত্র ভিন্নমত বা সমালোচনার কারণে এভাবে হামলা করা হচ্ছে কেন?’
একই সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতিও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সারজিসের ভাষ্য, স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগেরও জবাব বিএনপিকে দিতে হবে।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জ ছাড়ব না। যদি পারে আমাদের মেরে ফেলবে। প্রয়োজনে এখান থেকে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এই হামলার বিচার হতেই হবে।’