

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বক্তব্যকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা বলে মন্তব্য করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ফুয়াদকে ক্ষমা চাইতে বলেছে ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা বলা হয়। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনের পক্ষ থেকে এ বার্তা দেওয়া হয়।
পোস্টে ছাত্রদল জানায়, ব্যারিস্টার ফুয়াদের এ বক্তব্য শুধু ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, পাশাপাশি ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্যের জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং অতি সত্বর এই বক্তব্য তাকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যারিস্টার ফুয়াদদের এত আক্রোশের কারণ কী, প্রশ্ন রাখা হয় ওই পোস্টে। এর পর বলা হয়, ‘কারণ একটাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ফুয়াদ সাহেবের পেয়ারের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।’
ছাত্রদল আরও জানায়, ১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন; সব জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে, ঠিক দিকে। আর ফুয়াদ সাহেবের প্রিয় জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। এই ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ ফুয়াদ সাহেবরা মননে লালন করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষার মান এবং শিক্ষকদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি করেছে কিনা এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সচল থাকার কোনও প্রয়োজন আছে কিনা।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে ডাকসু অফিসে আয়োজিত এক সভায় বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে ফ্যাসিস্ট ক্রিমিনাল টাউট বাটপার তৈরি করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কালকে চোখ বন্ধ করে চিন্তা করেন তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়টা শাটডাউন করে দেওয়া হলো। দেশের কী ক্ষতি হবে?’

