


৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর আড়াইটা। ঢাকার আকাশ তখনো শরতের ধূসর মেঘে ঢাকা। নিচে রাজপথে লাখো ছাত্র-জনতার উত্তাল স্লোগান।
গণভবনের দিকে ধেয়ে আসছে এক অদম্য, অপ্রতিরোধ্য জনসমুদ্র। সেই গগণবিদারী স্লোগানের শব্দে কেঁপে উঠছে গত ১৫ বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে তোলা এক দানবীয় মাফিয়া তন্ত্রের ভিত।
ঠিক সেই মুহূর্তে কুর্মিটোলা বিমানবাহিনীর ঘাঁটি থেকে গগণবিদারী শব্দ করে আকাশে ডানা মেলল একটি সামরিক হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারের ভেতরে বসে আছেন একজন পরাজিত স্বৈরাচার, যিনি গত দেড় দশক ধরে দেশের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন।
তার চোখে-মুখে এখন আর কোনো দম্ভ নেই, আছে কেবল চরম আতঙ্ক আর ক্ষমতা হারানোর এক রিক্ত শূন্যতা। নিচে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে তার চিরচেনা ঢাকা শহর, যে শহর এখন তাকে ধাওয়া করছে। পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে কপ্টারের মুখ ঘুরিয়ে দিলেন পশ্চিম দিকে। এই কপ্টারের গন্তব্য- নয়াদিল্লি।
ঠিক একই গন্তব্যের দিকে আজ থেকে ৪৯ বছর আগে উড়ে গিয়েছিল আরেকটি বিমান। ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাস। পরিবার হারিয়ে নিরাশ্রয়, অসহায় এক নারী ছুটে গিয়েছিলেন সেই ভারতের মাটিতেই। সময় আলাদা, প্রেক্ষাপট আলাদা, পরিস্থিতিও সম্পূর্ণ আলাদা।
১৯৭৫ সালে তিনি ছিলেন একজন অসহায় নারী। আর ২০২৪ সালে তিনি একজন পতিত স্বৈরাচার, যার হাতে লেগে আছে হাজারো ছাত্র-জনতার তাজা রক্ত। কিন্তু দুই পতনেই তার গন্তব্য পাল্টায়নি। বিপদে পড়লেই তার জন্য বারবার কেন দিল্লির দরজা খুলে যায়? এটা কি নিছকই পুরোনো বন্ধুত্ব? নাকি সাউথ ব্লকের ধুরন্ধর নীতিনির্ধারকরা নিজেদের সবচেয়ে মূল্যবান রাজনৈতিক সম্পদকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রক্ষা করার এক মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে? চলুন, সাংবাদিকতার আতশি কাচ দিয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা যাক এই ভূ-রাজনৈতিক থ্রিলারের প্রতিটি পাতা।
৫ আগস্ট সন্ধ্যায় যখন সেই সামরিক যানটি ভারতের গাজিয়াবাদে অবস্থিত হিন্দন এয়ারবেসে অবতরণ করল, তখন সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং সাউথ ব্লকের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এটি কোনো সাধারণ অতিথিবরণ ছিল না।
এটি ছিল ভারতের পররাষ্ট্রনীতির গত ১৫ বছরের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার এক জীবন্ত দলিলকে গ্রহণ করা। হিন্দন এয়ারবেসের রানওয়েতে পা রাখার পর শেখ হাসিনা হয়তো এক মুহূর্তের জন্য ফিরে গিয়েছিলেন ১৯৭৫ সালের সেই দিনগুলোতে। ইতিহাস যেন এক অদ্ভুত চক্রে তাকে আবার সেই একই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে।
কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভারতের জন্য অত্যন্ত জটিল। এবার তিনি কোনো সাধারণ রাজনৈতিক আশ্রিত নন। তিনি এমন একজন স্বৈরাচার, যাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে একটি দেশের আপামর ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। ভারত খুব ভালো করেই জানত যে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার অর্থ হলো বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের ক্ষোভকে সরাসরি উসকে দেওয়া। একটি দেশের নতুন সরকার এবং জনগণের সেন্টিমেন্টকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভারত কেন এই বিশাল ঝুঁকি নিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের একটু পেছনের দিকে তাকাতে হবে, যেখানে লুকিয়ে আছে ভারতের এক দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ।
১৯৭৫ সালের সেই প্রথম যাত্রার পর শেখ হাসিনা দীর্ঘ ৬ বছর দিল্লিতে অবস্থান করেছিলেন। দিল্লির পান্ডারা রোডে কড়া গোয়েন্দা পাহারায় সম্পূর্ণ ছদ্মনামে তাকে রাখা হয়েছিল। ভারত যে দেশটিকে নিজেদের বলয়ে রাখতে চেয়েছিল, ১৫ আগস্টের পর সেই বাংলাদেশে তাদের প্রভাব হঠাৎ করেই শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। ইন্দিরা গান্ধীর মতো প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়ক খুব ভালো করেই জানতেন যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ একটি বিশাল ফ্যাক্টর।
আর সেই দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব যদি ভারতের মাটিতে, ভারতের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠে, তবে তা ভারতের জন্য এক অকল্পনীয় ভূ-রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে। পান্ডারা রোডে কাটানো ঐ ৬টি বছর কেবল একটি মানবিক আশ্রয় ছিল না। এটি ছিল ভারতের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বিনিয়োগ বা হাসিনা প্রকল্পের বীজ বপন। দিল্লি খুব ভালো করেই জানত, বাংলাদেশে ভারতবিরোধী একটি শক্ত বলয় ভাঙতে হলে এমন একজন নেতা প্রয়োজন যিনি ভারতের প্রতি শতভাগ বিশ্বস্ত থাকবেন।
যখন একজন মানুষ তার সবচেয়ে বড় বিপদের দিনে কাউকে ত্রাতা হিসেবে পায়, তখন তার প্রতি এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আনুগত্য তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। সাউথ ব্লক ঠিক এই মনস্তাত্ত্বিক জায়গাটিতেই বিনিয়োগ করেছিল। আর এই বিনিয়োগের মুনাফা তারা পেয়েছে পরবর্তী কয়েক দশক ধরে।
দিল্লিতে কাটানো সেই ছয় বছরের কৃতজ্ঞতার ঋণ শেখ হাসিনা যেন সুদে-আসলে শোধ করতে শুরু করেন ক্ষমতায় আসার পর। ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৫ বছরের শাসনামলে যদি আমরা তার পররাষ্ট্রনীতির দিকে তাকাই, তবে সেখানে কেবল একটি শব্দই জ্বলজ্বল করে- ‘ভারত তোষণ’। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, অর্থনীতি, ট্রানজিট, বন্দর ব্যবহার-সবকিছুতেই তিনি ভারতের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ভারতের যা কিছু প্রয়োজন, বাংলাদেশ তা দুই হাত উজাড় করে দিয়েছে।
ট্রানজিট ফি ছাড়াই ভারতকে রাস্তা দেওয়া হয়েছে। ভারতের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাংলাদেশের ভেতরের স্পর্শকাতর তথ্যগুলো তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পেয়েছে? তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে থেকেছে যুগের পর যুগ।
সীমান্তে ফেলানীর মতো নিরীহ বাংলাদেশিদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে কাঁটাতার। দিল্লি যা চেয়েছে, হাসিনা সরকার তাই করেছে। সাউথ ব্লক পান্ডারা রোডে যে রাজনৈতিক বিনিয়োগটি করেছিল তার রিটার্ন তারা পেয়েছে অভাবনীয় মাত্রায়।
২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪, পরপর তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে ভারত যেভাবে শেখ হাসিনাকে অন্ধের মতো সমর্থন দিয়েছে, তা বিশ্ব কূটনীতির ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। ভারত বিশ্বের অন্যান্য পরাশক্তিকে বুঝিয়েছিল যে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। এই সমীকরণে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছিল ভারতের একটি অঘোষিত স্যাটেলাইট স্টেটে। কিন্তু ৫ আগস্টের পর দৃশ্যপট আরো জটিল আকার ধারণ করল।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পতিত স্বৈরাচারকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে চাইছে। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শত শত হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নতুন সরকার তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু দিল্লি তাকে ফেরত দিচ্ছে না।
উল্টো ভারতের মাটিতে বসে তিনি সংবাদ সম্মেলন করছেন, অডিও বার্তা দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশের ভেতরে তার পেটোয়া বাহিনীকে অরাজকতা সৃষ্টির নির্দেশ দিচ্ছেন। একটি স্বাধীন দেশে আশ্রয়ে থাকা কোনো পলাতক নেতা সেই দেশের সরকারের পূর্ণ সমর্থন ছাড়া একটি শব্দও উচ্চারণ করতে পারেন না।
ভারত প্রকারান্তরে পতিত স্বৈরাচারকে দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি ছায়াযুদ্ধ বা প্রক্সি ওয়ার চালিয়ে যাচ্ছে। এই আচরণ প্রমাণ করে যে, ভারত এখনো বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারছে না। তারা এখনো ভাবছে, শেখ হাসিনাকে কাজে লাগিয়ে তারা আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো একটি অস্থিরতা তৈরি করতে পারবে।
এটি ভারতের তরফ থেকে একটি অত্যন্ত আগ্রাসী এবং উসকানিমূলক কূটনৈতিক পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বিনা স্বার্থে আশ্রয় বা আবেগের বন্ধুত্ব বলে কিছু নেই। ভারত শেখ হাসিনাকে যে আশ্রয় দিয়েছে, তার পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ লুকিয়ে আছে।
দিল্লির নীতিনির্ধারকরা খুব ভালো করেই জানেন, শেখ হাসিনার পতন মানে বাংলাদেশে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের পতন। নতুন সরকার, বিশেষ করে ৫ আগস্টের চেতনা নিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এবং বর্তমান নীতিনির্ধারকরা কোনোভাবেই ভারতের কাছে আর মাথা নত করবে না। তারা চীনের সাথে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে, পাকিস্তানের সাথে সামরিক মহড়া করছে এবং বৃহত্তর সামরিক জোটে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করছে। ভারতের কাছে শেখ হাসিনা
এখন আর কেবল একজন আশ্রিত অতিথি নন। তিনি হলেন দিল্লির হাতে থাকা শেষ সংরক্ষিত তাস বা ট্রাম্প কার্ড। সাউথ ব্লক হয়তো এখনো স্বপ্ন দেখছে যে, কোনো এক সুযোগে, কোনো এক রাজনৈতিক শূন্যতায় তারা আবার এই তাসটি ব্যবহার করে বাংলাদেশের রাজনীতির দাবা বোর্ডে ফিরে আসবে। শেখ হাসিনাকে তারা একটি মনস্তাত্ত্বিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নতুন সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু এই ছক কষতে গিয়ে ভারত একটি চরম ভুল হিসাব করে ফেলেছে।
তারা ভুলে গেছে যে এটি ১৯৭৫ সাল নয়, এটি ২০২৪ সাল। তারা ভুলে গেছে যে এবারের পরিবর্তন কোনো সামরিক অভ্যুত্থান নয়, এটি একটি সত্যিকারের গণঅভ্যুত্থান। দিল্লির নীতিনির্ধারকরা আন্ডারএস্টিমেট করেছেন বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের ক্ষোভকে। যে মানুষগুলো তাদের ভাইদের রাস্তায় রক্ত দিতে দেখেছে, যে মায়েরা তাদের সন্তানদের লাশ কাঁধে তুলে নিয়েছে, তারা আর কোনোদিন শেখ হাসিনাকে বা তার পৃষ্ঠপোষকদের এ দেশের মাটিতে রাজনীতি করার সুযোগ দেবে না।
ভারত যতদিন শেখ হাসিনাকে তাদের মাটিতে আশ্রয় দিয়ে রাখবে, ততদিন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে ভারতের প্রতি ঘৃণা কেবল বাড়তেই থাকবে। ভারত যদি মনে করে একজন পলাতক স্বৈরাচারকে দিয়ে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তবে তারা ভুলের স্বর্গে বাস করছে। এই সংরক্ষিত তাসটি এখন ভারতের জন্যই একটি কূটনৈতিক গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তারা গিলতেও পারছে না, আবার ফেলতেও পারছে না।
ভোরের প্রথম আলো ফুটতে শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে। শিশির ভেজা সবুজ ঘাসের ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে একদল তরুণ। তাদের গায়ে জড়ানো লাল-সবুজের পতাকা। এই ভাস্কর্যের সামনে দাঁড়িয়েই তারা একদিন স্লোগান দিয়েছিল-‘স্বৈরাচারের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’। আজ সেই গদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভাস্কর্যের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণের চোখেমুখে তীক্ষ্ণ আত্মবিশ্বাস। সে আকাশের দিকে তাকাল।
যে আকাশ দিয়ে একদিন একটি স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছিল, সেই আকাশে আজ স্বাধীন দেশের পাখিরা উড়ছে। এই তরুণেরা জেনে গেছে তাদের দেশের ভাগ্য আর কোনোদিন দিল্লির সাউথ ব্লকের ইশারায় নির্ধারিত হবে না। দিল্লির সেফ হাউসের জানালার ওপাশে হয়তো এখনো এক অনন্ত প্রতীক্ষা ঘুরপাক খাচ্ছে। হয়তো একজন পতিত স্বৈরাচার এখনো ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অলীক স্বপ্ন দেখছেন।
সাউথ ব্লকের নীতিনির্ধারকরা হয়তো এখনো ছক কষছেন, কীভাবে তাদের সবচেয়ে মূল্যবান রাজনৈতিক সম্পদকে আবার ব্যবহার করা যায়। কিন্তু তারা জানেন না, বাংলাদেশের রাজনীতির নদী অনেক দূর গড়িয়ে গেছে। এই নদীর স্রোত আর কখনোই উল্টো দিকে বইবে না। যে মাটি বীরের রক্তে ভেজা, যে মাটির প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে মুগ্ধ আর আবু সাঈদদের মতো অগণিত ভাই ও শহীদদের নিঃশ্বাস, সে মাটি আর কোনোদিন মীরজাফরদের পদচারণা সহ্য করবে না।
দিল্লির সেফ হাউসের জানালার ওপাশে হয়তো এখনো এক অনন্ত প্রতীক্ষা ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের আকাশে আজ ফুটে উঠেছে এক নতুন অজেয় সূর্য। এই সূর্য আর কখনোই কোনো পরাশক্তির দয়ায় অস্ত যাবে না। বাংলাদেশ মাথা নোয়াবার নয়। বাংলাদেশ শুধুই এগিয়ে যাবার।