

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এই স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
একজন অভিভাবকতুল্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নতুন যাত্রা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ লিখেছেন, কিছু মানুষ রাজনীতির পথচলায় শুধু সহযাত্রী হয়ে থাকেন না– তারা হয়ে ওঠেন অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং অনুপ্রেরণার জায়গা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চাচা আমার রাজনৈতিক জীবনে তেমনই একজন শ্রদ্ধেয় মানুষ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, প্রায় চার দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী থেকে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পর্যন্ত অত্যন্ত নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও ধৈর্যের সঙ্গে পথ চলেছেন। নানা প্রতিকূলতা, সংকট ও কঠিন রাজনৈতিক সময়েও তার স্থিরতা, সৌজন্যবোধ এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি আরও লিখেছেন, রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় আমার বাবা প্রয়াত ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে তার রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং পরবর্তীতে বিএনপির দুঃসময়ে দলের হয়ে দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষায় তার ভূমিকা আমি খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। সেই সময় তার পাশে থেকে কাজ করতে গিয়ে শুধু একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকেই নয়, একজন স্নেহশীল, দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল অভিভাবককেও কাছ থেকে দেখেছি।
শামা ওবায়েদ লিখেছেন, আমার রাজনৈতিক জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার পরামর্শ, স্নেহ ও দিকনির্দেশনা আমার জন্য মূল্যবান হয়ে থেকেছে। আজ তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি এবং একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দলীয় রাজনীতির দীর্ঘ দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে তিনি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও লিখেছেন, প্রিয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চাচা, রাজনৈতিক জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আপনার জন্য রইল গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক শুভকামনা ও দোয়া। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনার আগামী দিনের পথচলা হোক মর্যাদা, প্রজ্ঞা, সততা ও দেশসেবার এক নতুন দৃষ্টান্ত।
প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, আপনার নতুন দায়িত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। ভালো থাকবেন। আপনার স্নেহ ও দোয়া সবসময় প্রত্যাশা করি।


