

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ছাত্র সংগঠন এবিভিপি ও এসএফআইয়ের পৃথক মিছিল ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। দুই ছাত্র সংগঠনের মিছিল মুখোমুখি হওয়ার উপক্রম হতেই পুলিশ মিছিল আটকে দেয়। একদিকে, এইট বি’র সামনে এসএফআইয়ের জমায়েতে আটকে পড়েন রাজ্য সভাপতি দেবাঞ্জন দে, যুবনেত্রী দীপ্সিতা ধররা।
অন্যদিকে, এবিভিপির মিছিলও ঢাকুরিয়া ব্রিজের কাছে পুলিশ আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে সদস্যদের একাংশ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আবার এইট বি-র কাছে সকাল থেকে জমায়েত হওয়া এবিভিপি-র কয়েকজন সদস্য ততক্ষণে পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে পৌঁছে যান। তারা সংগঠনের পতাকা ওড়ান। তার বিরোধিতা করেন বামপন্থী ছাত্রছাত্রীরা। এতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংগঠন ফেটসুর গভর্নিং বডির বৈঠক থেকে অশান্তির সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, অরবিন্দ ভবনে বৈঠক চলাকালীন আচমকা ডানপন্থী ছাত্র সংগঠন এবিভিপির কয়েকজন সদস্য সেখানে ঢুকে হামলা চালায়। প্রশ্ন তোলা হয়, যেখানে ছাত্র সংগঠনই আর নেই, সেখানে কীসের জিবি বৈঠক? প্রশ্ন শুনে রেগতে যান ফেটসুর সদস্যরা। পরে তারা এবিভিপি সদস্যদের মারধর করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই অশান্তি ঘিরে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালেই কর্মসূচির ডাক দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। পালটা মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করে এবিভিপিও। দুপুরে দু’পক্ষের জমায়েত ও মিছিল থেকেই ছড়িয়ে পড়ে তুমুল উত্তেজনা।
এদিন সকাল থেকে এইট বি বাসস্ট্যান্ডের কাছে এবিভিপির কয়েকজন সদস্য জমায়েত করেছিলেন। কিন্তু তাদের মূল কর্মসূচি ছিল গোলপার্ক থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত মিছিল।
অন্যদিকে, দেবাঞ্জন দে’র নেতৃত্বে এসএফআইয়ের সদস্যরা এইট বি’তে জড়ো হন। তারা সেখানেই স্লোগান দিতে থাকেন। দু’পক্ষের মিছিলে অশান্তি রুখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ প্রশাসনও।
দুপুরে এবিভিপির মিছিল গোলপার্ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে রওনা দিলে পুলিশ ঢাকুরিয়া ব্রিজের কাছে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। ব্যারিকেড ভেঙেই তারা মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
অন্যদিকে, এইট বি থেকে এসএফআই-ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে মিছিল করে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়ে। আবার এবিভিপির যে সদস্যরা এইট বি-তে ছিলেন, তাঁরা সরাসরি হেঁটে পৌঁছে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটের কাছে। গেটে উঠে নিজেদের সংগঠনের পতাকা তুলে ফেলেন।


