বুধবার
২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেই ন্যাপকিনের টুকরো আজ ৯ লাখ ডলার

আহমেদ সোহেল বাপ্পী
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

২০০০ সালের ডিসেম্বর। বার্সেলোনার পম্পেইয়া টেনিস ক্লাবের রেস্তোরাঁয় মধ্যাহ্নভোন চলছে। টেবিলে বসে আছেন এফসি বার্সেলোনার ক্রীড়া পরিচালক কার্লেস রেক্সাখ। তার মাথায় তখন একটাই চিন্তা; একটি ১৩ বছরের আর্জেন্টিনীয় কিশোরকে যেকোনো মূল্যে বার্সেলোনায় রাখতে হবে। সেই ছেলে যেভাবে বল পায়ে নিয়ে ছুটেছিল, যেভাবে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে গোলের পথ বের করেছিল; রেক্সাখ এর আগে এরকম কাউকে দেখেননি।

কিন্তু সমস্যা একটাই; ক্লাবের কর্তারা দ্বিধায়। এত ছোট বয়সের একটি বিদেশী ছেলে, উপরন্তু তার গ্রোথ হরমোনের রোগের চিকিৎসার বিশাল খরচ বহন করতে হবে। রেক্সাখ একা। হাতে সময় নেই। আজকেই সিদ্ধান্ত না নিলে ছেলেটিকে হয়তো হারাতে হবে চিরতরে।

তিনি তাকালেন আশপাশে। কোনো ফর্মাল কাগজ নেই। ওয়েটারের কাছে কাগজ চাইলেন। হাতে এল একটি সাদা ন্যাপকিন। বের করলেন কলম। এবং লিখলেন- ‘বার্সেলোনায়, ১৪ ডিসেম্বর ২০০০ সালে, মেসর্স মিঙ্গুয়েলা ও হোরাসিওর উপস্থিতিতে, এফসি বার্সেলোনার ক্রীড়া পরিচালক কার্লেস রেক্সাখ তার নিজস্ব দায়িত্বে এবং যেকোনো মতভেদ সত্ত্বেও, সম্মত পারিশ্রমিকে খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে সাইন করতে সম্মত। ‘

মাত্র ১৬.৫×১৬.৫ সেন্টিমিটারের একটি সাদা কাগজ। কয়েকটি লাইন। একটি স্বাক্ষর। সেই ন্যাপকিনটি ২০২৪ সালের নিলামে বিক্রি হয়েছে ৯ লাখ ৬৫ হাজার মার্কিন ডলারে। কারণ সেটি শুধু একটি কাগজের টুকরো ছিল না; ছিল বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের জন্মের দলিল।

যে রোগ তাকে থামাতে পারেনি

রোসারিও শহর। আর্জেন্টিনার মধ্যভাগে পারানা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শিল্পশহরে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেয় একটি ছেলে। নাম রাখা হলো লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। বাবা জর্জে মেসি আসিন্দার স্টিল কারখানায় বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কাজ করতেন। মা সেলিয়া কুচিত্তিনি একটি ম্যাগনেট উৎপাদন কারখানায় কাজ করতেন, পাশাপাশি মাঝে মাঝে বাড়িতেও কাজ করতেন। চার ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয় সন্তান মেসির দুই বড় ভাই- রদ্রিগো ও মাতিয়াস, এবং এক ছোট বোন মারিয়া সল। বাড়িটি ছোট, সংসারটি সাদামাটা, কিন্তু সেই ছোট্ট উঠোনে মেসির পায়ে বল এলে একটু অন্যরকম কিছু দেখা যেত।

পাড়ার মাঠে সে এত ছোট যে বড়রা প্রথমে তাকে দলে নিতে চাইত না। কিন্তু একবার বল পায়ে দিলেই সব সন্দেহ মিলিয়ে যেত। মাত্র চার বছর বয়সে স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলিতে খেলা শুরু। কোচ ছিলেন তার বাবা নিজেই। মেসির নানি সেলিয়া প্রতিটি অনুশীলনে তার সঙ্গে যেতেন এবং তার জীবনের প্রথম অনুপ্রেরণা ছিলেন। কোচ এবং বাবা দুজনই বুঝলেন, এই ছেলে সাধারণ নয়। কিন্তু বিধাতার পরীক্ষা শুরু হলো ১৯৯৮ সালে। মেসির বয়স তখন ১১। চিকিৎসক জানালেন, ছেলেটির শরীরে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি রয়েছে। সহজ ভাষায়, তার শরীর স্বাভাবিক উচ্চতায় বাড়বে না। চিকিৎসা আছে; প্রতিদিন রাতে হিউম্যান গ্রোথ হরমোন ইনজেকশন নিতে হবে। এবং সেই চিকিৎসার খরচ? প্রতি মাসে ৯০০ থেকে ১৫০০ মার্কিন ডলার।

একটি স্টিল কারখানার শ্রমিকের পরিবারের জন্য এই অঙ্ক ছিল অকল্পনীয়। তবুও বাবা-মা হার মানলেন না। নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাব কিছুদিন খরচ বহন করল। বাবার অফিস-সুবিধা কাজে লাগল কিছুটা। কিন্তু সেটা দীর্ঘস্থায়ী হলো না। পরিবার আশা নিয়ে গেল আর্জেন্টিনার দুটি বড় ক্লাবের দরজায়; রিভার প্লেট এবং নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ। তারা মেসির প্রতিভা দেখল, স্বীকারও করল। কিন্তু চিকিৎসার খরচ? সেটা বহন করতে দুটি ক্লাবই অস্বীকার করল।

একটু ভাবুন। একটি অসুস্থ ১১ বছরের ছেলে। পরিবার তার চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে পারছে না। যেসব ক্লাব তাকে নিতে পারত, তারা পিছিয়ে গেল। সেই মুহূর্তে মেসির ভেতরে কী হচ্ছিল; সেটা হয়তো শুধু সে-ই জানে। কিন্তু সে থামেনি। প্রতিদিন রাতে নিজেই নিজের ইনজেকশন দিয়েছে। আর পরদিন সকালে আবার মাঠে গেছে।

বার্সেলোনার ডাক ও একটি অসম্ভব সুযোগ

মেসি পরিবারের কাতালোনিয়ায় কিছু আত্মীয় ছিল। সেই সূত্র ধরে বার্সেলোনায় একটি ট্রায়ালের সুযোগ এলো। পরিবার ভাবল এটাই হয়তো শেষ সুযোগ। ২০০০ সালে ১৩ বছরের মেসি বার্সেলোনায় পা রাখল। ট্রায়ালে মেসিকে দেখলেন রেক্সাখ। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে তার মন স্থির। এই ছেলেকে ছাড়া হবে না। কিন্তু ক্লাবের ভেতরে মতভেদ। অনেকে বলছেন, এত ছোট একটা ছেলে, বিদেশী, শারীরিকভাবে অসুস্থ, চিকিৎসার মোটা খরচ। ঝুঁকি বেশি।

রেক্সাখ জানতেন, দেরি হলে অন্য কোনো ক্লাব মেসিকে নিয়ে যাবে। সেই মুহূর্তে পম্পেইয়া টেনিস ক্লাবের রেস্তোরাঁর টেবিলে ওয়েটারের কাছ থেকে পাওয়া ন্যাপকিনে লিখলেন সেই ঐতিহাসিক লাইনগুলো। এবং জানিয়ে দিলেন, মেসির চিকিৎসার সমস্ত খরচ বার্সেলোনা বহন করবে। সব ঠিক হওয়ার আগ পর্যন্ত বার্সেলোনার তৎকালীন পরিচালক জোয়ান লাকুয়েভা নিজের পকেট থেকে মেসির গ্রোথ হরমোনের চিকিৎসার খরচ দিয়ে গেছেন। একটু ভেবে দেখুন, একটি ক্লাবের একজন কর্তা নিজের টাকায় একটি বিদেশী কিশোরের চিকিৎসা করাচ্ছেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেছিলেন ছেলেটির মধ্যে অসাধারণ কিছু আছে। সেই বিশ্বাসই পাল্টে দিয়েছে ফুটবলের ইতিহাস।

একা একটি দেশে, নিঃশব্দ এক কিশোর

বার্সেলোনার বিখ্যাত যুব একাডেমি লা মাসিয়ায় মেসির যাত্রা শুরু হলো। প্রথমে বাবা জর্জে তার সঙ্গে ছিলেন। কিছুদিন পর মা ও ভাইবোনরা স্পেনে এলেন, তারপর তারা আর্জেন্টিনায় ফিরে গেলেন। বাবা রয়ে গেলেন। কিন্তু বাড়ির পরিচিত পরিবেশ, বন্ধু, মা; সব থেকে দূরে একটি ১৩ বছরের ছেলে। কাতালান ভাষা জানে না। স্প্যানিশও তখন ভাঙা ভাঙা। ড্রেসিং রুমে বসে থাকত চুপচাপ। সতীর্থরা ভাবত সে বোবা। রাতে একা বিছানায় শুয়ে হাতে ইনজেকশন দিত নিজেকে। পরদিন সকালে আবার উঠে মাঠে। আবার দৌড়। আবার বল। কিন্তু মাঠে নামলেই সব পাল্টে যেত। তখন ভাষা লাগত না, পরিচয় লাগত না। শুধু বল আর পা, আর সেই অবিশ্বাস্য মস্তিষ্ক যা এক সেকেন্ডেই দশটি পথ দেখতে পেত। লা মাসিয়ার কোচরা একে একে বুঝতে লাগলেন এই নীরব ছেলেটি মাঠে কথা বলে বলের ভাষায়। এবং সেই ভাষা পৃথিবীতে আর কেউ এভাবে বলতে পারে না।

১৪ বছর বয়সে গ্রোথ হরমোনের চিকিৎসা সম্পন্ন হলো। ২০০২-০৩ মৌসুমে কাদেতেস ‘এ’ দলের হয়ে ৩০ ম্যাচে ৩৬ গোল। একই মৌসুমে তিনটি শিরোপা; লিগ, স্প্যানিশ কাপ, কাতালান কাপ। সেই দলটি পরিচিত হলো ‘বেবি ড্রিম টিম’ নামে। সেই দলে ছিলেন সেস্ক ফেব্রেগাস, জেরার্ড পিকে এবং একটি নীরব কিশোর, যে কথা কম বলত, গোল বেশি দিত।

একটি ম্যাচে গালের হাড় ভেঙে গেল। চিকিৎসকরা বললেন মুখে প্লাস্টিকের মাস্ক পরে মাঠে নামা যাবে। মেসি নামল। কিছুক্ষণ পর মাস্কটি খুলে ফেলল এবং পরের ১০ মিনিটে দুটো গোল করল। এটাই মেসি।

সংখ্যায় নয়, সংগ্রামে পরিমাপ করুন মেসিকে

আজ মেসির পরিসংখ্যান কিংবদন্তির সংখ্যা। আট বার ব্যালন ডি’অর। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়। বার্সেলোনার হয়ে ৬৭২ গোল। ইন্টার মায়ামিতে এখনও সেই একই জাদু। কিন্তু এই সংখ্যাগুলো তখনই প্রকৃত অর্থ পায়, যখন আমরা মনে রাখি; এই মানুষটি একসময় ছিল একটি অসুস্থ কিশোর, যাকে দুটি বড় ক্লাব শুধু চিকিৎসার খরচের কারণে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

এখানেই মেসির গল্পটি শুধু একজন ব্যক্তির গল্প থাকে না। এটি হয়ে ওঠে একটি ব্যবস্থার গল্প, একটি সমাজের গল্প; একটি দেশ ও প্রতিষ্ঠানের সাথে তার প্রতিভাবান সন্তানের সম্পর্কের গল্প। প্রশ্ন জাগে, রিভার প্লেট বা নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ যদি সেই সামান্য বিনিয়োগটুকু করত, তাহলে কি আর্জেন্টিনার ফুটবলের ইতিহাস আলাদা হতো? বার্সেলোনা না থাকলে, সেই ন্যাপকিনটি না থাকলে মেসি কি আদৌ মেসি হতে পারতেন?

বাংলাদেশের মাঠে কতজন মেসি হারিয়ে যাচ্ছে?

এই প্রশ্নটি আমাদের, বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য, সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমাদের দেশের গ্রামে-গঞ্জে, মাঠে-ঘাটে প্রতিদিন কত কিশোর বল লাথি মারছে; যাদের মধ্যে হয়তো প্রতিভার বীজ আছে। কিন্তু সেই বীজে জল দেওয়ার মতো কাঠামো কোথায়? একটি শিশু শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে তার চিকিৎসার খরচ মেটানোর ক্ষমতা কি তার পরিবারের আছে? বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বা ক্লাবগুলো কি তার পাশে দাঁড়াবে?

বাস্তবতা হলো, আমাদের যুব ফুটবলের অবকাঠামো এখনও এতটাই দুর্বল যে প্রতিভা চেনার আগেই প্রতিভা ঝরে যায়। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা, চিকিৎসা সুবিধার অভাব, পেশাদার কোচিংয়ের অনুপস্থিতি- এই তিনটি বাধাই যথেষ্ট একটি সম্ভাবনাময় জীবনকে শুরুতেই শেষ করে দিতে। ময়মনসিংহের কোনো মাঠে হয়তো এখন একটি ছেলে দৌড়াচ্ছে, যার পায়ে সেই জাদু আছে। কিন্তু তার শরীরে যদি কোনো রোগ ধরা পড়ে, তার পরিবার কি সেই খরচ দিতে পারবে?

আমাদের কোনো ক্লাব কি এগিয়ে আসবে?

মেসির গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি ক্লাব বা একটি প্রতিষ্ঠানের একটি সাহসী সিদ্ধান্ত একটি শিশুর পুরো জীবন পাল্টে দিতে পারে। বার্সেলোনা সেদিন যদি শুধু লাভ-ক্ষতির হিসাব করত, তাহলে মেসি হয়তো আজ রোসারিওর কোনো কারখানায় কাজ করত। কিন্তু তারা বিনিয়োগ করেছিল একটি স্বপ্নে। এবং সেই স্বপ্ন পৃথিবীর সেরা ফুটবলারকে জন্ম দিয়েছে।

প্রতিকূলতা নয়, সুযোগই আসল শিক্ষা

আমরা প্রায়ই মেসির গল্প থেকে শুধু ‘অনুপ্রেরণা’ নিই। বলি, দেখো কত কষ্ট করে সে সফল হয়েছে। কিন্তু এই পাঠটি অসম্পূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনক। কারণ এই আখ্যান থেকে যদি কেবল ‘কষ্ট করলেই সফল হওয়া যায়’ এই সরল সমীকরণ টেনে নিই, তাহলে আমরা একটি বড় সত্যকে আড়াল করে ফেলি।

সেই সত্যটি হলো, মেসির সাফল্যের পেছনে তার নিজের অধ্যবসায়ের পাশাপাশি আছে রেক্সাখের সাহসী সিদ্ধান্ত, বার্সেলোনার আর্থিক বিনিয়োগ, লা মাসিয়ার পেশাদার কোচিং ব্যবস্থা, এবং একজন কর্তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে তার চিকিৎসার খরচ বহন করা। এগুলো ছাড়া শুধু প্রতিভা আর পরিশ্রম যথেষ্ট ছিল না। তাই মেসির গল্প থেকে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য শিক্ষা দুটো। প্রথমটি ব্যক্তির জন্য: হাল ছেড়ো না; শরীর বা পরিস্থিতি যাই হোক। দ্বিতীয়টি রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানের জন্য: প্রতিভাকে চিনতে শেখো, এবং তাকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নাও।

ন্যাপকিনের চেয়েও বড় যে দায়িত্ব

সেই রেস্তোরাঁর টেবিলে রেক্সাখ যখন ন্যাপকিনে কলম চালাচ্ছিলেন, তিনি হয়তো জানতেন না সেটি একদিন নয় লাখ ডলারে বিক্রি হবে। কিন্তু তিনি জানতেন, এই সিদ্ধান্তটি সঠিক। একটি অসুস্থ, দরিদ্র পরিবারের ভিনদেশী কিশোরের প্রতিভাকে সুযোগ দেওয়া দরকার।

বাংলাদেশে আজ আমাদের এরকম হাজারটি ন্যাপকিন দরকার। আক্ষরিক অর্থে নয়, প্রতীকী অর্থে। দরকার এমন ক্লাব, এমন ফেডারেশন, এমন সরকারি নীতি, এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগ যেগুলো একটি প্রতিভাবান কিশোরের সামনে দরজা খুলে দেবে। তাকে বলবে, ‘তোমার শরীরের দুর্বলতা বা পরিবারের দারিদ্র্য তোমার স্বপ্নকে থামাতে পারবে না।’

লিওনেল মেসি একটি অসাধারণ মানুষ। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা তিনি একটি অসাধারণ সুযোগ পেয়েছিলেন। আমাদের কাজ হলো, নিজেদের দেশের সম্ভাব্য মেসিদের জন্য সেই সুযোগটি তৈরি করা। কারণ একটি ন্যাপকিনের দাম বাড়তে পারে নয় লক্ষ ডলার পর্যন্ত। কিন্তু একটি হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নের ক্ষতি তা কোনো মূল্যে পূরণ হয় না।

লেখক: আহমেদ সোহেল বাপ্পী, গবেষক ও মানবাধিকার কর্মী, গণতন্ত্র সীমান্তহীন প্যারিস, ফ্রান্স।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Bosnia-Herz VS Qatar
Scheduled
25 Jun, 01:00 AM
VS
World Cup