

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন আগস্ট মাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামনে এই টানা ৪ দিনের ছুটির লোভনীয় সুযোগটি তৈরি হচ্ছে।
সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
এর ঠিক পরদিন অর্থাৎ ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার একটি নিয়মিত কর্মদিবস।
কিন্তু এর পরদিনই যথাক্রমে ৭ আগস্ট শুক্রবার ও ৮ আগস্ট শনিবার সপ্তাহান্তের দু'দিনের নিয়মিত সরকারি ছুটি।
এমন পরিস্থিতিতে চাকরিজীবীরা যদি মাঝখানের একমাত্র কর্মদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এক দিনের ছুটি বা ঐচ্ছিক ছুটি কোনোভাবে সমন্বয় বা ম্যানেজ করতে পারেন, তবেই কেল্লাফতে! বুধ থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা চার দিন কর্মস্থল থেকে দূরে থেকে দীর্ঘ অবকাশ উপভোগ করতে পারবেন তারা।
পবিত্র এই উৎসব উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। তবে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন, সেজন্য জরুরি ও জনসেবামূলক খাতগুলোকে এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হচ্ছে।
ফলে এই দীর্ঘ ছুটির সময়েও বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডাকসেবার মতো অতি প্রয়োজনীয় সেবাগুলো যথারীতি স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
একই সঙ্গে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবা খাতের জরুরি কর্মী, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন এবং অন্যান্য জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরা ছুটির দিনগুলোতেও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কেমন হবে, সে বিষয়ে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক খুব দ্রুতই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে উচ্চ ও নিম্ন আদালতের ছুটি সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
সাধারণত প্রতি বছরই মূল সরকারি ছুটির আগে বা পেছনে সপ্তাহান্তের ছুটি যুক্ত হলে কর্মব্যস্ত চাকরিজীবীরা আগেভাগেই ভ্রমণের বা বাড়ি ফেরার বড় ধরনের পরিকল্পনা সাজান।
