

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, সরকার ইতোমধ্যে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি, এই পাঁচ জেলায় ১ হাজার টিরও বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করেছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি, উনি (প্রধানমন্ত্রী) খুব স্বল্প সময়ের ভিতরে ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সরকারি বাংলা কলেজে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, আমরা দেখছি আজকে এখানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং সারা বাংলাদেশ জুড়ে কিন্তু এই দুর্যোগে বিভিন্ন জায়গায় মানুষ মারা গিয়েছেন, যেটি আমাদেরকে অত্যন্ত ব্যথিত করেছে, গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। জনগণের নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সর্বস্তরের প্রশাসন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে জড়িত আছেন, সকলকে নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে তাঁরা জনগণের সাথে থাকেন, পাশে থাকেন।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই দেখেছি প্রায় ৩৪৫০ মেট্রিক টনের মতো চাল ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জনগণের সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা দল বিএনপি এবং সকল নেতাকর্মীরা এই পাঁচ জেলা এবং অন্যান্য জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং সম্পূর্ণভাবে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, যেখানে প্রয়োজন সেনাবাহিনী এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি অনুষঙ্গ তৈরি আছে মানুষদের কীভাবে কষ্ট লাঘব করা যায়, কীভাবে তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া যায়, কীভাবে পানি পৌঁছে দেওয়া যায়, স্যানিটেশন নিশ্চিত করা যায় সেগুলো নিয়ে নিরলস কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করা যায় বলেন মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, আজকে বাঙলা কলেজে আমরা রয়েছি, এখানে রয়েছে অনেক শিক্ষার্থী যাদের আগামী দিনের বাংলাদেশের কাণ্ডারি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাঁদেরকে প্রেরণা দেওয়ার জন্য আমরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছি। আমরা দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। আমরা নিশ্চিত করতে চাইছি যে, আমাদের এই তারুণ্যই হবে আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি।
"আমাদের যারা শিক্ষকবৃন্দ রয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। আমাদের যারা সাবেক শিক্ষানুরাগী রয়েছেন, বিভিন্ন পেশায় যারা রয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা কীভাবে আরো বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়? কীভাবে ব্যাবসা-বাণিজ্যকে সহজ করা যায়, কীভাবে স্বল্পে ঋণের ব্যবস্থা করা যায়, কীভাবে মেধাহীন যে বাংলাদেশ আমরা দেখেছি, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে মেধাভিত্তিক আর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে পারি সেগুলো নিয়ে কাজ করে যাবো, সেটি আমাদের অঙ্গীকার।"
প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, আজকে বাঙলা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রী সে বাণী আপনাদের সবার মাঝে পৌঁছে দিতে চাই, যেখানে, আমরা সবাই মিলে যখন একসাথে কাজ করব, একসাথে এদেশটাকে গড়বো, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে আমরা নতুনভাবে মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সবার জন্য সমান সুযোগ দেবো।