

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে রক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স অত্যন্ত জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আ
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থাইল্যান্ডের ব্যাংককস্থ জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন(ESCAP) এবং ল্যান্ডস্কেপ অ্যালায়েন্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ: ব্লু কার্বন অর্থায়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি ব্লু কার্বন ইকোসিস্টেমকে জলবায়ু সম্পদ, কমিউনিটি সম্পদ এবং উন্নয়ন সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়। এছাড়া জলবায়ু অভিবাসন বিশ্লেষণের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণভাবে প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন (১ কোটি ৩৩ লক্ষ) মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। এই বাস্তবতায় ম্যানগ্রোভ বন ও উপকূলীয় জলাভূমি বাংলাদেশের জন্য কেবল পরিবেশগত সম্পদই নয়, বরং এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় জলবায়ু অবকাঠামো।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় অত্যন্ত সজাগ রয়েছে এবং আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্র একে অপরের সাথে সংযুক্ত। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়াসহ এই অঞ্চলের দেশগুলো ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় ক্ষয়ক্ষতির মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই ব্লু কার্বন ম্যাপিং, কার্বন পরিমাপের অভিন্ন পদ্ধতি ও আঞ্চলিক কার্বন মার্কেট গঠনে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা আবশ্যক এবং এক্ষেত্রে জাতিসংঘ এসকাপ (ESCAP) সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে পারে।
উক্ত সেশনের অন্যান্যের মধ্যে পাকিস্তানের পরিবেশমন্ত্রী Shezra Mansab Ali Khan Kharal, মালদ্বীপের পরিবেশমন্ত্রী Ali Shareef, এসকাপ(ESCAP)-এর নির্বাহী সচিব Armida Salsiah Alisjahbana সহ বিভিন্ন দেশের পরিবেশ মন্ত্রীগণ, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

