

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিলের মাধ্যমে আমাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স বাতিলের সঙ্গে একটি রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা বুয়েটের সংস্কার শুরু করেছি এমনটি বলেছেন,আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টায় আদ-দ্বীন হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন,ঠিক কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনেও সুস্পষ্ট করা হয়নি কি কারণে মারা গেছে। যেসব শিশু মারা গেছে তাদের ময়নাতদন্তও হয়নি।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে সুস্পষ্ট কারণ না থাকলেও যেসব বিষয়ে বলা হয়েছে তা সংস্কার শুরু হয়েছে। অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোঅক্সাইড যন্ত্র কেনা হয়েছে। যে শিশু ওয়ার্ড সিলগালা করা হয়েছে, সেটিও ঠিক করতে চাবি চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে এক সপ্তাহেই সংস্কার করা যাবে।
এর আগে, গত ২৭ জুন আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ছিল বলে জানা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তদন্ত কমিটির বরাতে তিনি জানান, ওই ছয় নবজাতকের আকস্মিক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এবং ওই সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা এবং নার্স না থাকা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
পরে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার দায়ে গত ১১ জুন রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এরও আগে এ ঘটনার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে সময় বৃদ্ধির আবেদন জানানো হয়। দুদিন সময় বাড়ানোও হয়। এর মধ্যে ভুক্তভোগী ছয় পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং পরিবারের অন্তত একজনকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। তবে শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্তে অটুট থাকে সরকার।
