

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বেগবান করতে আজ সোমবার (৮ জুন) মস্কোতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের আমন্ত্রণে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। সফরসূচিতে রাশিয়ান ফেডারেশনের ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ফেডারেশন কাউন্সিলের নেতৃত্বের সঙ্গেও একটি বৈঠক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রাশিয়া ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদার। ১৯৭২ সালে রাশিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি ছিল। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা থেকে ডুবে যাওয়া জাহাজ ও মাইন অপসারণেও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা ছিল।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ ও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত বছর চীনের বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ায় রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও মুহাম্মদ ইউনূস এর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। রাশিয়া বাংলাদেশে প্রধানত শিল্প সরঞ্জাম, গম ও খনিজ সার রপ্তানি করে, আর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও সামুদ্রিক পণ্য আমদানি করে।
সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। এর প্রথম ইউনিট ইতোমধ্যে উৎপাদনে এসেছে এবং দ্বিতীয় ইউনিট চলতি বছরের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া জ্বালানি খাতে গ্যাজপ্রমের প্রকল্প, গ্যাস অনুসন্ধান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে রাশিয়া ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৮৫টি বৃত্তি বরাদ্দ করেছে।
