

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ত্রিপক্ষীয় শ্রম-নীতি ও সংস্কার শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে বলেছে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে সমুন্নত রেখে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।
শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বন্ধ কলকারখানা, চিনিকল ও রেশম কারখানা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হবে।
শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত করতে সরকারের নেয়া আইনি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকলে অনুস্বাক্ষর করেছে। শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় শ্রম অসন্তোষের মতো ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। দেশের টেকসই শিল্পোন্নয়নের স্বার্থে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন
