শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানা গেল কবে দায়িত্ব ছাড়বেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
expand
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আগামী সংসদ নির্বাচনের চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রোজার আগে ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে চায়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সংসদ সচিবালয় ও বঙ্গভবনকে এজন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বঙ্গভবন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সংসদ সচিবালয়, গণপূর্ত ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো জানায়, সংসদ সদস্যদের শপথ, নতুন সরকারের শপথ ও দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। কর্মকর্তারা সংসদ সচিবালয় ও গণভবন পরিদর্শন করে শপথ নেওয়ার প্রস্তুতি পরীক্ষা করেছেন।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হলে ১৩ বা ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশ হতে পারে। এরপর ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য চারটি বিকল্প বাসভবন নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ১৫ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানটি স্মরণীয়ভাবে আয়োজনের নির্দেশনা রয়েছে এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের দরবার হলে হলেও এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

অতিথিদের আসা-যাওয়া, প্রটোকল ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপতির সামরিক বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে বলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান। দরবার হল ও আশপাশের আসন বিন্যাস নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর সংসদ ভবনের যে ক্ষতি হয়েছিল, তা সংস্কার করা হয়েছে। এখন অধিবেশন পরিচালনায় কোনো বাধা নেই।

এমপি হোস্টেল, ন্যাম ভবন এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও সংস্কার করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্বাচনের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি চারটি ভবন পরিদর্শন করেছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চূড়ান্ত করবে নতুন সরকার। অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা, সংসদ এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবনের একটি ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে।

বর্তমানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা থাকেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর রীতি অনুযায়ী কিছুদিন তিনি সেখানেই থাকতে পারেন।

এ সময়ের জন্য বিকল্প বাসভবনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের উপযোগী করে একাধিক বাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুত্র: দেশ রূপান্তর

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X