

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পে-কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশনের বৈঠকে গ্রেড সংখ্যা পরিবর্তনের প্রস্তাব উঠলেও শেষ পর্যন্ত বিদ্যমান ২০ গ্রেড কাঠামোই বহাল রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ নিয়ে মতভেদ থাকায় পুরো বেতন কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে কমিশনের ভেতরে টানাপোড়েন চলছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে খণ্ডকালীন এক সদস্যের পদত্যাগ কমিশনের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে আনা বা পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে বর্তমান ২০টি গ্রেডই রাখার সুপারিশ করতে যাচ্ছে কমিশন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কমিশনের এক সদস্য গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেড সংখ্যায় কোনো হাত না দিয়েই বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করা হবে।
এদিনের সভায় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি পেনশন ও চিকিৎসা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার বিষয়ে আলোচনা হলেও মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন। এই অঙ্কটি চূড়ান্ত না হওয়ায় বাকি সব বিষয় আটকে আছে।
সূত্র বলছে, সর্বনিম্ন বেতনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছেন না কমিশনের সদস্যরা। আগামী ২১ জানুয়ারি পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে পুনরায় আলোচনা হবে। এর আগে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সর্বনিম্ন বেতন কত হবে, তার একটি সবুজ সংকেত নিতে পারেন। এর আগে বেতন বৈষম্য কমাতে বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার কথা শোনা গিয়েছিল।
কমিশনের এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আজ (বৃহস্পতিবার) পদত্যাগ করেছেন খণ্ডকালীন সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাকছুদুর রহমান সরকার। ঢাবি রেজিস্ট্রার ভবনে জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি অভিযোগ করেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য করা ৩৩টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশের কোনো প্রতিফলন না দেখে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।
মন্তব্য করুন

