সোমবার
৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাশি কমাতে যেসব খাবার ও অভ্যাস উপকারী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

সর্দি-জ্বর, অ্যালার্জি, বায়ুদূষণ, অ্যাজমা, শুষ্ক আবহাওয়া কিংবা ধূমপানের কারণে কাশি হতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণের পরও কয়েক সপ্তাহ কাশি থেকে যেতে পারে। এ সময় কিছু ঘরোয়া উপায় গলা আরাম দিতে ও কাশি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

মধু: কাশি উপশমে মধু বেশ উপকারী। কুসুম গরম পানিতে মধু ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খাওয়াও গলা আরাম দিতে পারে।

তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে কোনোভাবেই মধু দেওয়া যাবে না।

আদা: আদায় থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান গলার অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে। আদা দিয়ে চা তৈরি করে পান করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত আদা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে।

তুলসী ও বাসক পাতা: তুলসী পাতা ও বাসক পাতা লোকজভাবে কাশি উপশমে ব্যবহার করা হয়। এগুলো দিয়ে তৈরি পানীয় গলা আরাম দিতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র কাশির ক্ষেত্রে শুধু এসব ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

হলুদ দুধ: কুসুম গরম দুধে অল্প হলুদ মিশিয়ে পান করলে গলা আরাম পেতে পারে। বিশেষ করে রাতে এটি পান করা যেতে পারে।

লবঙ্গ ও মেন্থল: লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়া বা মেন্থলযুক্ত লজেন্স গলার খুসখুসে ভাব ও অস্বস্তি কিছুটা কমাতে পারে।

গরম পানি ও লবণ পানির গার্গল: কাশির সঙ্গে গলা ব্যথা বা খুসখুসে ভাব থাকলে কুসুম গরম লবণ পানিতে গার্গল করা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করুন। গরম পানির ভাপও নাক ও গলার অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

যেসব বিষয় এড়িয়ে চলবেন

ধূমপান ও ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন। খুব ঠান্ডা বা শুষ্ক পরিবেশে থাকলে গলা আরও শুষ্ক হয়ে কাশি বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ।

কাশি কয়েক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, উচ্চ জ্বর, কাশির সঙ্গে রক্ত বা শ্বাস নিতে গুরুতর সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank